মেইন ম্যেনু

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির বাজারে চলতি বছরের গত ছয় মাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে। তবে কিছুটা উপরে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া।

এবার চীন বাজারের কিছুটা অংশ হারালেও এখনও শীর্ষে রয়েছে তারা। তবে দ্রুততম গতিতে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। ভারতও এবার এগিয়েছে অনেকটা। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটেক্সা) সম্প্রতি প্রকাশ করা প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ওটেক্সা চলতি ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে আমেরিকার পোশাক আমদানির তথ্য প্রকাশ করে। এ ছয় মাসে আমেরিকা পোশাক আমদানি করেছে ৩,৭৫৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের। আমদানিতে ছয় মাসে তাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ শতাংশ। ওটেক্সার হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে এখন চতুর্থ অবস্থানে। শতাংশের হিসেবে ৬.৫ শতাংশে। গত ফেব্রুয়ারি শেষে এ অবস্থান ছিল তৃতীয়। জুন শেষে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়া। শতাংশের হিসেবে ৬.৬ শতাংশ।

ওটেক্সার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া উভয় দেশই জানুয়ারি-জুন সময়ে তাদের রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে।

তবে ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের বেশি হারে হ্রাস পেয়েছে। আলোচ্য ছয় মাসে আমেরিকায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ইন্দোনেশিয়ার ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ভিয়েতনাম আমেরিকার বাজারে গত ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি বৃদ্ধি করেছে ১৫.৫ শতাংশ। দেশটির রপ্তানির পরিমাণ এখন দাঁড়িয়েছে ৪২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। একই সময়ে চীনের রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১,২৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর এই ছয় মাসে ভারত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, গত বছরের শেষ ভাগে চরম সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোন ক্রেতাই বাংলাদেশে তাদের ক্রয়াদেশ দিতে চাননি। তাদের মতে, ওই সময় ছোট-বড় সব ক্রেতাই ভিয়েতনামে গেছেন। এমনকি চীন পর্যন্ত পরিস্থিতি বুঝে সে সময় ভিয়েতনামের পোশাক খাতে বিনিয়োগ করে। যদিও সম্প্রতি ভিয়েতনাম থেকে চীন তাদের বিনিয়োগ আবার কমিয়ে এনেছে। এ সময় ইন্দোনেশিয়ায় অনেক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ নিয়ে যায়। আফ্রিকার কয়েকটি দেশে পোশাক খাতে বিদেশী বিনিয়োগ হয়। ভারতেও অনেক রপ্তানি-কাজ গেছে, যার একটা বড় অংশ বহুদিন ধরে বাংলাদেশই করত।

এছাড়া রানা প্লাজা ধসে ১১৩৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু, তাজরীন, স্মার্ট ফ্যাশনস, গরিব অ্যান্ড গরিব কারখানাতে আগুন লেগে শ’ শ’ শ্রমিকের মৃত্যুর খবরও বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় তোলে। এসব ঘটনায় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো ভোক্তাদের চাপে পড়ে।






মন্তব্য চালু নেই