মেইন ম্যেনু

যশোরের সংবাদ (১১/৬/১৪)

আবিদুর রেজা খান যশোর অফিস :
## যশোরে পানের বরজে অগ্নিকান্ডে স্বামীস্ত্রীসহ চারজন আহত
যশোর অফিস: যশোর সদর উপজেলা বাগডাঙ্গা মুন্সী পাড়ার মৃত সিরাজ উদ্দিনের পুত্র রাশেদুল হাসানের পানের বরজের আগুন ধরিয়ে দেয় । এতে ৫লাখ টাকা ক্ষতি সাধন হয়েছে। এ ব্যাপারে যশোর কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।
জানা যায় যশোর সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের রাশেদুল হাসানের সাথে প্রতিবেশী মশিয়ার রহমান বাবু’র পুত্র রুমেলের সাথে পুর্ব শুত্র“তার এক পর্যায় সোমবার রাতে মশিয়ার রহমান বাবু’র পুত্র রুমেল,রকি,মৃত হাসানুর রহমানের পুত্র হামিদুর রহমান ভিকু,ফজলুর রহমানের পুত্র রুনু,মৃত এছের মন্ডলের পুত্র আব্দুল খালেকসহ অজ্ঞাত ৭/৮জন পানের বরজে অগ্নি সংযোগ বরে। আগুন নেভানোর সময় রাশেদুল হাসান,ও তার স্ত্রী পাপিয়া,মেয়ে হাজেরা ও পুত্র মাহাবুব হাসানকে বেধড়ক মারপিট করে সন্ত্রাসীরা। এতে রক্তাত্ত জখম হয়। যশোরে

## ইয়াবাসহ তিনজন আটক
যশোর অফিস: যশোর সদর ফাঁড়ির পুলিশ শহরে অভিযান চালায়। এ সময় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে,যশোর শহরের লোন অফিসপাড়ার মাহাতাব আলমের পুত্র রবিউল ইসলাম ওরফে রবি,বেজপাড়া বুনোপাড়ার আতিয়ার রহমানের পুত্র রাজু ও বেজপাড়ার কাজী আবুল কালাম আজাদের পুত্র শরিফুল আলম।
সোমবার রাতে সদর পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই রফিকুল ইসলামঅভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম ওরফে রবিকে, রাজু ও শরিফুল আলমকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

## যশোরে আলমসাধু-নছিমন-করিমন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান
যশোর অফিস: ভাত দাও, বিকল্প কর্ম সংস্থান দাও, নইলে এ যানবাহন চালাতে দাও” শ্লোগানকে সামনে রেখে দক্ষিণবঙ্গের আলমসাধু-নছিমন-করিমন শ্রমিক সংঘ, যশোর মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলম-সাধু-নছিমন-করিমন শ্রমিক সংঘ যশোর জেলা কমিটির সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আহাদ আলী লস্কর, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আলী, সদর থানার সভাপতি মনিরুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের কোষাধ্যক্ষ শফিকুর জালাল নান্নু ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল পারভেজ বুলু প্রমূখ। স্মারকলিপি প্রদান কালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি যশোর জেলার সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান, শ্রমিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আহাদ আলী লস্কর। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আটককৃত গাড়িগুলি নিঃশর্তে ছেড়ে দেওয়াসহ দশ দফা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। স্মারক লিপি প্রদান কালে জেলা প্রশাসক উল্লেখিত দাবিগুলি আইন শৃঙ্খলার সভায় উত্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন। কর্মসূচীর পূর্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়।

## যশোরে কালেক্টরেট অফিস সহকারীদের কর্মবিরতি ও সমাবেশ
যশোর অফিস: যশোরে কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কর্মবিরতি ও সমাবেশ হয়েছে। যশোরে কালেক্টরেট প্রাঙ্গনে অফিস সহকারীদের তুলনায় আনুপাতিক হারে ৫ ধাপ বেতন স্কেল উন্নিত করার দাবিতে কালেক্টরেট অফিস সহকারীরা মঙ্গলাবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পযান্ত অফিসে তালাবদ্ধ করে কর্মবিরতি পালন করে। পরে কালেক্টরেট চত্বরে সমাবেশ ও মিছিল করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা সভাপতি আইয়ুব হোসেন, আব্দুল হাই, ফিরোজ আহাম্মেদ, শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

## যশোরে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের শহরে আনন্দ র‌্যালি
যশোর অফিস: যশোরে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মঙ্গলবার সকালে শহরে আনন্দ র‌্যালি বের করেছে। প্রেসক্লাব যশোরের সামনে আনন্দ র‌্যালিটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন এসএইচ বিল্ডার্সের স্বাত্তাধিকার এস এম রফিকুল ইসলাম হিরক, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি মহিদুল ইসলাম মন্টু, সাংবাদিক আব্দুল¬াহ হুসাইন, রুহুল কুদ্দুস, মালেকুজ্জামান কাকা, বি এম ফারুক, এস এম ফরহাদ, বি এম আসাদসহ আর্জেন্টিনার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

## যশোরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নামে যাত্রাপালায় উলঙ্গ নৃত্য
যশোর অফিস: যশোরের ঝিকরগাছার ছুটিপুরে যাত্রার নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য। প্রশাসন সব কিছু জেনে নিরব ভূমিকা পালন করে চলছে। আর এসব অশ্লীল নৃত্য’র কারণে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উন্নয়নের নামে এ অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শন করছে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল। অশ্লীল নৃত্যের নামে উলঙ্গ নাচগান দেখানো হচ্ছে। এসবের পাশাপাশি চলছে নানা রকম জুয়া। এসব জুয়ার মধ্যে রয়েছে, ওয়ানটেন, হাউজি, ফড়, লটারি, চরকা খেলা। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, জীবনের ভয়ে ওই প্রভাবশালী মহলটির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহসা পায় না।
এলাকাবাসী জানায়, গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫শ’ গজ দুরে এই যাত্রার আয়োজন করেছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। ২৮ মে থেকে শুরু হয়েছে এই যাত্রাপাল। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে অশ্লীল যাত্রার নামে উলঙ্গ নাচ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক জনপ্রতিনিধি জানান, যাত্রাপালা হচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী একটি সংস্কৃতি। অথচ এখানে চলছে অপসংস্কৃতি। যাত্রাপালার নামে হাউজি, মানুষের উলঙ্গ নাচ (পুতুল নাচ), ভ্যারাটি শো, সার্কাস, জুয়া খেলা চলছে। আর এতে করে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যা হলেই উঠতি বয়সী যুবকরা এখানে চলে আসছে। আর এভাবে চলতে থাকলে এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতি হবে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।
যাত্রাপালার আয়োজক কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দার আলী জানান, ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উন্নয়নের জন্য ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে যশোরের একটি পার্টির কাছে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারাই মাঠ পরিচালনা করে। আমি সেখানে যাই না। মানুষ যা বলে সব সত্য না। এখানে দল-বিরোধীদল আছে। গ্রুপিং আছে তারাই এসব অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছে। তিনি জানান, এখানে জুয়া চলছিল। তা পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, এই মাঠে লটারি খেলা হচ্ছে। লটারি খেলায় মোটর সাইকেল দিয়েছে। লাভ-লোকসান তো আছে। যাদের লোকসান হয় তারা বিভিন্ন কথাবার্তা বলে। এলাকার মানুষ যা বলে তা সব সত্য না।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে যাত্রাপালা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাত্রা না মেলা হচ্ছে। কি মেলা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি কথা ঘুরিয়ে বলেন, ‘ওই তো মেলায় যে সব যাত্রা, সার্কাস, নাচ-গান হয় সেই সবই হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেলা প্রশাসক যা অনুমোদন দিয়েছে তাই এখানে হচ্ছে।’ আপনাদের কাছে কোন অভিযোগ থাকলে বলেন, আমরা তা বন্ধ করে দেব।
যাত্রা অনুষ্ঠানে পুলিশের কোন ডিউটি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় থানা থেকে ৫/৬ জন পুলিশ সেখানে ডিউটি করে। এলাকার আইন শৃঙ্খলা যাতে কোন অবনতি না হয় সেজন্য পুলিশ ডিউটি। তবে তিনি এই যাত্রাপালায় পুলিশের সহযোগিতার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, পুলিশের কাজ হচ্ছে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার। সেই কাজটিই করে পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সোহেল হাসান জানান, বেশ কিছু শর্তে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নামে আনন্দ মেলার অনুমতি দেয়া হয়। সেখানে কোন প্রকার অসামাজিক কার্যালাপের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা সাথে সাথে বন্ধ করে দেয়া হবে। কোন জুয়া, র‌্যাফেল ড্র, কিম্বা নৃত্য করার অভিযোগ পেলে সাথে সাথে তা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হবে। ডিসি স্যারের নির্দেশ কোন প্রকার অসামাজিক কাজ এ জেলায় চলবে না।






মন্তব্য চালু নেই