মেইন ম্যেনু

যশোরের খবর (০১/০৭/১৪)

## যশোরের নাভারন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ
যশোর অফিস : যশোর নাভারন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই শফিকুল ইসলাম প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী করছে বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন গরুর হাট, গরু বহনকারী ট্রাক চালকদের হুমকি ধামকি দিয়ে অর্থ আদায় করছে। অবৈধ পথে তার প্রতিমাসে আয় প্রায় ১০ লাখ টাকা। দীর্ঘ দিন ধরে এ চাঁদাবাজি চললে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে নিরব রয়েছে। এদিকে যশোর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেছেন, নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ শুনেছি। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্থানীয় সুত্র জানায় যশোর নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট আকারুজ্জামান ওই ফাড়ির এস আই শফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজী করতো। বিশেষ করে বাঁগআচড়া, নাভারণ, বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকা, সাদীপুর গরুর হাট, সাতমাইল গরুর হাট থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও গরুর মালিকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতে থাকে। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে দেড় বছরের মাথায় আকতারুজ্জামানকে শাস্তিমূলক বদলী করে। এরপর দীর্ঘদিনের অবস্থানরত শফিকুল ইসলাম ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্ব নিয়ে ওই ফাঁড়ির এ এস আই জব্বারসহ কতিপয় সদস্যকে নিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করে বেড়াচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতি নাভারণের সাতমাইল, বেনাপোল গরুরর হাট থেকে গরুপ্রতি চাঁদা আদায় করছে এবং বাগআঁচড়া, নাভারণ, বেনাপোল, পুটখালী ও সাদীপুর সীমান্ত এলাকা, উলাসী, সাতক্ষীরা মোড়, শার্শা এলাকা থেকে চাঁদা আদায় করছে। শনিবার ও মঙ্গলবার সাতমাইল গরুর হাটে অনেকটা প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইনচার্জ শফিকুল ইসলামের লাগামহীন চাঁদাবাজীর কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গরু ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহল বেনাপোল বন্দর বৃহত্তর গরুর হাটে আসতে অনিহা প্রকাশ করছে। সাতক্ষীরা মোড়ের গরুর ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার বলেছেন, নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শফিকুল ও এ এস আই জব্বার আগে গরু প্রতি একটা টাকা নিতো। বর্তমানে তা বাড়িয়ে দ্বিগুন করেছেন। আর এ টাকা না দিলে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করছে। পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ জানানোর কথা বললে তিনি বলেন, জানিয়ে কোন কাজ হয় না। তাতে ঝামেলা আরও বাড়ে। পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে তার রয়েছে গভীর সম্পর্ক। ওই অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে জানিয়ে দেয় অভিযোগ বিষয়ে। তখন এসআই শফিকুল মোটা অংকের টাকা দিয়ে অভিযোগটি ধামাচাপা দিয়ে দেয়। আর তখন অভিযোগকারীর কপালে নেমে আসে নানা প্রকার ঝুট ঝামেলা। টাকা দিয়ে ব্যবসা করতে গিয়ে কেউ ঝামেলায় জড়াতে চায় না। একই অভিযোগ করেছেন উলাসীর গরুর ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন। বর্তমানে এস আই শফিকুলের চাঁদাবাজীর কারণে এক প্রকার গরুর ব্যবসা ছেড়ে দিতে চলেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
এব্যবপারে এস আই শফিকুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অভিযোগটি মোটেও ঠিক নয়। তবে, এ এস আই জব্বার বলেন, পুলিশের চাঁদাবাজীর সম্পর্কে সবাই জানে। আর এর একটি অংশ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ পেয়ে থাকেন। ফলে অভিযোগ করে কিছুই হবে না।

## যশোরে গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
যশোর অফিস: যশোরে মনিরামপুরে বিল বকর ও এই বিলের ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবন-জীবিকা নিয়ে গবেষণাধর্মী বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে যশোরে সিসিটিএস মিলনায়তনে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমিরুল আলম খান। এতে সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগের আহবায়ক এম আর খায়রুল উমাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সৃজনী সংঘের নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হক মনি। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মনিরামপুরের কুলটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পরিতোষ বিশ্বাস, সাংবাদিক আহমেদ সাঈদ বুলবুল প্রমুখ।

## যশোরে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু
যশোর অফিস: যশোরে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অজ্ঞাত (৫৫) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২৮ জুন বিকেলে যশোর উপশহর এলাকায় অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় ওই এলাকার মিজান নামে এক ব্যক্তি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সোমবার গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে যশোর কোতয়ালি থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

## যশোরে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামী আটক
যশোর অফিস: যশোর কোতয়ালি পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে, যশোর সদর উপজেলা গহেরপুর গ্রামের বাবর আলী মোল্যার পুত্র সাহেব আলী ও শহরের বকচর বিহারী কলোনীর মৃত জামিরুল আক্তারের পুত্র আলমগীর হোসেন।
রোববার বিকেলে যশোর কোতয়ালি থানার এএসআই কেরামত আলী একটি মামলার তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আলমগীর হোসেনকে আটক করেছে। অপরদিকে ফুলবাড়ি ক্যাম্পের পুলিশ তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাহেব আলীকে আটক করে। পুলিশ জানায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল । গত কাল তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই