মেইন ম্যেনু

মোদির শরীর ফিট রাখার গোপন রহস্য

ভারতে একটি হেলথ কেয়ার সেন্টার উদ্বোধনকালে নিতা আম্বানির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি (ফাইল ফটো)

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্ত্রীকে দেখভালে তেমন মনোযোগী না হলেও শরীর নিয়ে বেশ সচেতন তিনি। এ জন্য অবাক করার মতো নিয়মকানুন মেনে চলেন, করেন শরীরচর্চাও। তার কাছে এগুলো এতটাই রুটিনমাফিক যে, এতে কোনো রকমের ত্রুটি রাখেন না তিনি।

৬৪ বছর বয়সে এসেও ‘ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতি’ সটান ধরে রাখার মূল রহস্যই হচ্ছে এই শরীরচর্চা। তার শরীরচর্চা নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক তথ্যে জানা যায়, সূর্যোদয়ের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রোজ ঘুম ভাঙে মোদির। অ্যালার্ম দিয়ে ভোর ঠিক সাড়ে ৫টায়। তারপর ঘড়ি ধরে নিত্য দুই ঘণ্টা শরীরচর্চা করেন প্রধানমন্ত্রী।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, যোগগুরু রামদেবের সঙ্গে সখ্য থাকলেও শরীরচর্চায় মোদি বিশ্বাসী অন্য কোনো যোগব্যায়ামে। আরসে যোগটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত ‘পিলাটিজ’ পদ্ধতি হিসেবে। বিশ শতকের গোড়ায় এই ফিটনেস পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন জার্মানির জোসেফ পিলাটিজ। তিনি অবশ্য একে বলতেন ‘কন্ট্রোলজি’। কারণ, পেশির নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নিয়ন্ত্রিত সঞ্চালনই এই প্রক্রিয়ার মূল কথা। কিছু আধুনিক সরঞ্জামও অবশ্য লাগবে।

আমেরিকা-ইংল্যান্ডে পিলাটিজ এখন খুবই জনপ্রিয়। এক কোটিরও বেশি আমেরিকান শরীরচর্চা করেন এই পদ্ধতিতে। পিলাটিজ পদ্ধতিতে ওজন তো কমে, শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে, রোগের আক্রমণ প্রতিহত করে, সবচেয়ে বড় কথা, শরীরের শক্তি বাড়ে।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে নিয়মিত যোগাসন করতেন মোদি। শীর্ষাসন করতে পারেন অনায়াসে। মুখ্যমন্ত্রী নিবাসে ‘জিম’ ছিল। আধুনিক ট্রেডমিল, ক্রস ট্রেনার, পরিমিত ওজন তোলার সরঞ্জাম, ফিটনেস বলও ছিল সেখানে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাসখানেক পরে এক পরিচিতের কাছ থেকে পিলাটিজের কথা জানতে পারেন তিনি। এ ব্যাপারে আরো খোঁজখবর নেন। একজন প্রশিক্ষকেরও সন্ধান পান। যোগাসনের সঙ্গে পিলাটিজের অনেকটা মিল দেখেই মোদির আরো বেশি করে ভালো লেগে যায় এই কসরত। প্রধানমন্ত্রী নেমে পড়েন পিলাটিজ চর্চায়। অবাক করা সত্য এই যে, মাত্র কয়েক মাসেই এই পদ্ধতিতে পাঁচ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন মোদি।






মন্তব্য চালু নেই