মেইন ম্যেনু

মেক্সিকান তরঙ্গে জয়রথ থামলো ব্রাজিলের

ম্যাচের আয়ু তখন ২৬ মিনিট। দর্শনীয় হেড নেইমারের। ঠিক ততোটাই দর্শনীয় সেভ মেক্সিকান গোলকিপার গুলিরমো ওচোয়ার। এই একটি মুহূর্ত খেলার রঙ বদলে দিল।

ফোর্তালেজার অ্যারেনা কাস্তিলাওয়ের হলুদ সমুদ্রকে আস্তে আস্তে বিবর্ণ করেছে এদিন ‘চীনের প্রাচীর’ রূপে আর্বিভূত হওয়া মেক্সিকো গোলকিপার ওচোয়া। মনোবল ভেঙ্গে দিয়েছে থিয়াগো সিলভা-ফ্রেড-অস্কার-নেইমারদের। যাতে মেক্সিকান তরঙ্গে হোঁচট খায় ব্রাজিলের জয়রথ। ফলে গোল শূন্য ড্র ব্রাজিল-মেক্সিকো মহারণ। যা নকআউটের জন্য নেইমারদের অপেক্ষা আরো বাড়িয়ে দিল।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দর্শকদের মন ছুঁতে পারেনি ফ্রেড-হাল্ক-জুলিও সিজাররা। মেক্সিকোর বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর প্রত্যয় ছিল ব্রাজিলের। কথাও দিয়েছিল তারা। আর শুরুটাও ছিল আশাদায়ক। ম্যাচের শুরুতে জোগো বনিতোর সুর উঠছিল ফোর্তালেজায়। তখন নেইমারদের পায়ে যেন বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিলো।

এরই ধারায় ম্যাচের ২৬ মিনিটেই মেক্সিকোর বক্সের ডান প্রান্ত থেকে দানিয়েল আলভেজের উড়ে আসা একটি বলে অবিশ্বাস্য উচ্চতায় উঠে হেড নেন নেইমার। কিন্তু কী আশ্চর্য? মেক্সিকান গোলকিপার ক্ষিপ্র এক লাফে এক হাতের সাহায্যেই ওই বলটি রুখে দেন। ম্যাচের শেষের দিকেও ওই একই অবস্থার পুনরাবৃত্তি। খেলার ৮৫ মিনিটে থিয়াগো সিলভার দারুণ এক হেড আটকে দেন সেই ওচোয়া’ই। ভাগ্যও সহায়তা করেনি নেইমারদের। তাই প্রতিপক্ষ রক্ষণে গিয়ে বারবার পায়ের দঙ্গলে বল হারিয়েছেন অস্কার-উইলিয়ানরা।

তবে খেলার মাঠে নেমে মেক্সিকোও কিন্তু পা গুটিয়ে বসে থাকেনি। জয় পেতে পারত কানকাকাফ অঞ্চলের এই দলটিও। কিন্তু ব্রাজিল গোলকিপার জুলিও সিজারের দৃঢ়তায় তা আর সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। এদিন মেক্সিকানরা খেলার ৪১ মিনিটে প্রথমবার গোলের সুবর্ণ সুযোগ পান। যখন হোসে ভাসকুয়েজের নেয়া একটি শট ঠেকিয়ে দেন জুলিও সিজার।

এরপর রেফারির শেষ বাঁশি বাজার ক্ষণেও ব্রাজিলের রক্ষণে মরণ কামড়ের চেষ্টা চালিয়েছে রাফায়েল মার্কুয়েজ বাহিনী। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গত দেয়নি তাদের। ফলে দুই ম্যাচে সমান চার পয়েন্ট করে নিয়ে একই বিন্দুতে ব্রাজিল ও মেক্সিকো। দুই দলের সামনেই থাকছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি। যখন একটি করে জয় ও একটি করে ড্র এই দুই দলের।






মন্তব্য চালু নেই