মেইন ম্যেনু

মুশফিকের বধূবরণ আজ, কি কি থাকছে তালিকায়?

মাহবুব হামিদের মাটিডালি বাজারের ‘সংহতি’ নামের বাসভবনে ঈদের দিন থেকেই আত্মীয়স্বজন আর পরিচিতদের ঢল নেমেছে। তাঁর ছেলে জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের নববধূ জান্নাতুল কিফায়াতকে একনজর দেখতে। নববধূকে দেখার পাশাপাশি নবদম্পতির সঙ্গে ছবি তোলার আবদারও করছেন অনেকেই। স্বজনদের আপ্যায়ন করার পাশাপাশি মুশফিকুর রহিমের ‘বউ ভাত’ অনুষ্ঠানের আয়োজনে কয়েক দিন ধরেই দম ফেলানোর ফুসরত নেই বাবা মাহবুব হামিদের।
অতিথিদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছানো, অতিথি আপ্যায়নে খাবারদাবারের আয়োজন, বধূবরণের আয়োজন—সবকিছু একাই সামলাচ্ছেন তিনি। আজ রাতে বউভাত অনুষ্ঠানকে ঘিরে মাটিডালিজুড়েই চলছিল সাজসাজ রব। ‘বউভাত’ উপলক্ষে ‘সংহতি’র সামনে সাজানো হয়েছিল বিশাল তোরণ। বাসভবনজুড়ে আলোকসজ্জা।

5
অতিথিদের আপ্যায়নেও এলাহী কারবার। একসঙ্গে ৮০০ অতিথি বসে খেতে পারেন, এমন প্যান্ডেল সাজানো হয়েছে। খাবার পরিবেশনের জন্য ১০০ পেশাদার পরিবেশনকারী প্রস্তুত। রান্নার জন্য ঢাকা থেকে আনা হয় নামকরা বাবুর্চি দল। শুক্রবার সকাল থেকেই অধর্শত চুলায় রান্না চড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত ৬৩টি খাসি জবাই দেওয়া হয়েছে।
3
শুক্রবার সকাল ১০টায় মাটিডালির ‘সংহতি’তে গিয়ে দেখা গেছে, বউভাত অনুষ্ঠানের সবকিছু তদারক করছেন বাবা মাহবুব হামিদ ও ছেলে মুশফিকুর রহিম। মাহবুব জানালেন, বউভাত অনুষ্ঠানের সব আয়োজন শেষ। আত্মীয়স্বজন আসতে শুরু করেছেন। তবে আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে শুরু করবেন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে। রাত আটটা থেকে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন রাখা হয়েছে। নৈশভোজে কাচ্চি বিরিয়ানি, খাসির রেজালার সঙ্গে থাকছে মুর​গির রোস্ট। এ ছাড়াও থাকছে হরেক পদের আয়োজন। শেষে বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী দই।
4
অনুষ্ঠানে মুশফিকের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও ক্রীড়াঙ্গন ও প্রশাসনের লোকজনসহ শহরের বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা থেকে আসার কথা রয়েছে জাতীয় দলের কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারের। চারতারকা হোটেল নাজ গার্ডেনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে মুশফিক-সতীর্থদের।
গত বছরের অক্টোবরে আরেক ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহর শ্যালিকা জান্নাতুল কিফায়াতের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয় মুশফিকের। প্রায় এক বছর পর এ বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় গায়েহলুদ, ২৫ সেপ্টেম্বর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এবং ২৭ সেপ্টেম্বর গলফ ক্লাবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা হয়। এসব অনুষ্ঠান শেষে নববধূ ৩০ সেপ্টেম্বর আসেন শ্বশুরবাড়ি বগুড়া শহরের ‘সংহতি’তে। মুশফিকুরের শুরু হয়েছিল যে ক্লাব থেকে, সেই মাটিডালি ক্রীড়াচক্রের সদস্যরা বর-বধূকে বরণ করে নিতে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ সংহতিতে নিয়ে আসেন।

পারিবারিক রেওয়াজ অনুযায়ী শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘সংহতি’র বাসা থেকে পালকিতে চড়িয়ে নববধূকে বউভাত অনুষ্ঠানের মঞ্চে নেওয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই