মেইন ম্যেনু

মদনে বিদ্যালয়ের সামনে অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে উঠায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

প্রতিনিধি, মদন (নেত্রকোনা) : নেত্রকোনার মদন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দেওয়ান বাজার প্রাঙ্গণে জাহাঙ্গীরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কৃষি বিভাগের পরিত্যক্ত জায়াগায় ট্রাক, পিকআপ, ট্রলি, অটোরিক্সার অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলায় বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও শরীর চর্চাসহ খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হয়ে শিক্ষা কর্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বন্দী জীবন যাপন করছে ৫ শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী। ফলে শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহে বৃহস্পতি ও সোমবার উপজেলার বৃহৎ এই বাজারে মালামাল আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অবৈধ স্ট্যান্ডটি গড়ে তোলেছে। ওই স্ট্যান্ড এর কারণে ভয়ে অনেক অভিভাবক তাদের শিশুদের অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছে এবং দুই হাট-বারে অনেক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে আসতে দিচ্ছে না অভিভাবকরা। আবার যে সকল শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসছে তাদের অভিভাবকরা থাকছে আতংকে। এ স্ট্যান্ডটি গড়ে তোলার আগে শিশুরা খেলাধুলা ও শরীরচর্চার অনুষ্ঠান সুন্দর মতই করতে পারত এ স্থানে। এখন দেয়ালের ভেতর স্বল্প পরিসরে শরীরচর্চা করা হচ্ছে। অবৈধ স্ট্যান্ডটি গড়ে উঠায় শব্দ দূষণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ২০১৬ সালের বিদ্যালয়ের বার্ষিক ফলাফলে মারাতœক বিপর্যয় ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা শিক্ষা কমিটিতে একাধিকবার আলোচনা করেও সুফল পাননি বলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন খান জানান।

৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অনিক বিশ^াস, আবির, চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী দত্ত ও শুভেচ্ছা জানায়, “ওই স্ট্যান্ড থাকায় আমরা খেলতে হারিনা, বিদ্যালয়ে আসতে যেতে আমাদের ভয় হয়। বাড়ীতে মা-বাবা থাকেন আতংকে। ”

দেওয়ান বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার জানান, বাজার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ারা জেবুন্নাহার জানান, আগামী সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম রাসুল জানান, আমাদের পরিত্যক্ত জায়গাটির বিষয়ে একাধিকবার লিখিত ভাবে কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তবে জায়গাটি পরিত্যক্ত থাকায় তারা স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল হোসেন জানান, বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে এবং এই অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই