মেইন ম্যেনু

ভূয়াঁ মুক্তিযোদ্ধা বাতিলের দাবীতে ডিমলার মুক্তিযোদ্ধাদের আমরন অনশন চলছে

হামিদা আক্তার, ( নীলফামারী) : ২০ ফ্রেব্রুয়ারী সোমবার সকাল থেকে নীলফামারী ডিমলায় ভারতীয় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত প্রকৃত শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা (এফএফ) ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ ও গেজেট বাতিলের দাবীতে শহীদ মিনার চত্তরে আমরন অনশন ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন। এ আমরন অনশন শুরুর পূর্বেই ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আমরন অনশনে অংশগ্রহনকারী মুক্তিযোদ্ধারা একটি স্মারকলিপি দিয়ে অনশন শুরু করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ার হোসেন কল্যাণ ট্রাষ্ট নং-৪১২৮৫,এফএফ নম্বর-১৩৫/৩৮, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী এফএফ নং- ৬১/৩৩, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাদত হোসেন কণ্যাণ ট্রাষ্ট নং- ৪১৩৫৭,এফএফ নং- ১৫৮/২৯, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মজিদ কল্যাণ ট্রাষ্ট নং- ৪১৩৩৪ এফএফ নং- ১৪৫/৪৩ ও বীর মুক্তিয্দ্ধোা মোঃ আব্দুল্লাহ চৌধুরী (মুজিব বাহীনি) স্বাক্ষরিত স্মারকলিেিত যা উল্লেখ করা হয়েছে তা হুবাহুব তুলে ধরা হলো-লক্ষ শহীদের আত্মদান আর দু’লক্ষ মা- বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার প্রায় ৪৬ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। সে দিনের অকুতোভয়-দুরন্ত মুক্তিযোদ্ধারাও আজ বার্ধ্যক্যের দ্বারপ্র্রান্তে। দেশ মাতৃকার স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা ৭১’এর অস্ত্র হাতে মৃর্ত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলো। আজ তারা চায়না, যারা ১৯৭১ সালে নিজ বাড়ীতে অবস্থান করেছিলো কিংবা যাদের বয়স সে সময়ে ১১/১২ বৎসর ছিলো তারা হটাৎ করে মুক্তিযোদ্ধা বনে গিয়ে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে সনদ উত্তোলন করে সরকারী বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা গ্রহন করছে ফলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে লজ্জাজনক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাার উল্লেখ করেন, কোন ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের সহিত সম্পৃক্ত না থেকে যুদ্ধে অংশগ্রহন না করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কাতারে এক হয়ে কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে না। এ ক্ষেত্রে লাল মুক্তিবার্তার অন্তভূক্ত ও গেজেট ভূক্ত ভূয়াঁ মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ ও গেজেট তালিকা বাদ দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধারা স্মারক লিপির মাধ্যমে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বিষটি পৌছানোর দাবী জানিয়ে বলেন, ভূয়াঁ মুক্তিযোদ্ধারা কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত হয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিষয়টি খাটো করুক তাহা কোন প্রকৃত মুক্তিওযোদ্ধা আশা করেন না। আমরন অনশনে অংশগ্রহনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সংবাদকর্মীদের জানান, ভাতীয় তালিকার বাইরে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধার বিভিন্ন তালিকায় ঢুকে পড়েন। আসলে তারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলো না। একই ভাবে উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধাা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, আমরা অতি বিলম্বের এসব ভূয়াঁ মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ ও গেজেট বাতিল পূর্বক তালিকা প্রকাশ করতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন। তা না হলে আমরা ( মুক্তিযোদ্ধারা) আবারও ৭১’এর মত জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিমলা শহীদ মিনার চত্তরে (রাত-৯.৪০ টা) পর্যন্ত আমরন অনশনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে । উল্লেখ্য, হাইকোর্টে রিটের বরাদ দিয়ে নীলফামারী জেলার ৬ টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কার্যক্রম স্থগিত করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)।






মন্তব্য চালু নেই