মেইন ম্যেনু

বাজেটের বৈধতা নেই : বিএনপি

জাতীয় সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সদ্য ঘোষিত এই বাজেটকে অবৈধ ও অনৈতিক সরকারের বাজেট আখ্যা দিয়ে এর কোন বৈধতা নেই বলে মনে করছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এ জন্য ছায়া বাজেটও দেয়নি দলটি।

দলটির নেতারা মনে করছেন, বিরোধীদল বিহীন ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকার অবৈধ। তারা জনগণের ভোটে জয়ী হয়নি তাই তারা জনগণের সরকার নয়। এই সরকারের বাজেট দেয়ার কোন অধিকার নেই, তাই বাজেটের কোন বৈধতা নেই।

২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যে সংসদে জনগণের প্রতিনিধি নেই তাকে আমরা সংসদ বলবো না। আমরা বলবো, এই অবৈধ ও অনৈতিক সরকারের বাজেট পেশ করার কোনো অধিকার নেই। জনগণের সমর্থন যাদের আছে তারাই জনগণের জন্য কাজ করতে পারবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান বলেন, ‘এই সরকারের যেমন বৈধতা নেই, এই বাজেটেরও তেমনি বৈধতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বলেছিলো, শুধু মাত্র সংবিধান রক্ষার জন্য এই নির্বাচন। নির্বাচনের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিরোধী দলের সঙ্গে বসে আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু তারা তাদের কথা রাখেনি। বিএনপিও ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন করেছিলো তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুর্নবহাল করার জন্য, দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য। বিএনপির তখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিলো না। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি কোন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয়নি, বাজেটও দেয়নি।’

বিএনপির যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের কাছে বাজেট প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই সরকারকে আমরা বৈধ মনে করি না। তাই এই সরকারের দেয়া বাজেটের বিষয়ে আমাদের কোন মতামত নেই।’

ঘোষিত বাজেট বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘এই সরকারের বাজেট নিয়ে আমাদের কোন প্রতিক্রিয়া নাই। এই সরকার অবৈধ। তাই এই সরকারের বাজেট কেন কোন কর্মকাণ্ডই দেশের জন্য শুভ বা বৈধ না। সংসদে তারা দখলদার সংসদ সদস্য। এই সংসদ অবৈধ। সুতরাং এই সরকারের বাজেট নিয়ে আলোচনার কোন সুযোগ নেই।’

এর আগে দল থেকে যারা বাজেট পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চেয়ারপারসনের এ উপদেষ্টা বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘যেখানে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তাদের বাজেট পেশের অধিকার নেই। কারণ তারা নির্বাচিত নয়।’

বিকেলে তার গুলশানের বাণিজ্যিক কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির এই নেতার মতে, ‘বাজেটের আকার বৃদ্ধি স্বাভাবিক। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে দুর্নীতি আরো বাড়বে। ফলে পদ্মা সেতুর ব্যায় ৫/৬হাজার কোটি টাকা বেড়ে যেতে পারে। বাজেটে জনকল্যাণের কোনো দিক নেই।’






মন্তব্য চালু নেই