মেইন ম্যেনু

বাউলা বাতাসে আউলা চুল, কী করবেন

ফাল্গুনে টান শুরু হয়েছে। এ সময়ে রুক্ষ বাতাস ও ধুলাবালিতে অনেক চুল ঝরে যায়।

প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতিদিন ২০০টি চুল ঝরা স্বাভাবিক। কিন্তু এর থেকে বেশি চুল পড়া শুরু হলে বিষয়টি বেশ চিন্তার।

আবহাওয়া পরিবর্তনেও চুল ঝরে যেতে পারে। চুলের গোড়ার ঘাম না শুকালে, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে, চুলের ধরনের সঙ্গে মানানসই শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার না করলেও চুল পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের যেভাবে টাক পড়ে সেভাবে চুল ঝরে না পড়লেও নারীদের চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

হরমোনের তারতম্য, সন্তান জন্মদান, রজঃনিবৃত্তি, অবৈজ্ঞানিক ডায়েটিং, সকালের নাশতা না খাওয়া, পলিসিস্টিক ওভারি চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

এছাড়া চুলের নানা ধরনের ফ্যাশন যেমন: রিবন্ডিং, স্টেইট, পাম, ডাই, ব্লোয়ার ড্রাই করার কারণেও চুল ঝরতে পারে।

রক্তস্বল্পতা, মানসিক স্ট্রেস, খুশকি, বড় কোনো অসুখে ভুগলে, বেশি মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক খেলে চুল ঝরে পড়ে। তবে চুল যদি বেশি ঝরে এ নিয়ে চিন্তায় ভুরু কুচকিয়ে কি হবে বলেন! বরং এ সমাধান জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা এ ব্যপারে কিছু সমাধান দিয়েছেন নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হল;

* এ সময়ে চুল রুক্ষ হয় এবং খুশকি আক্রমণ করে। খুশকির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ভালো শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।

* শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রে হটওয়েল থেরাপি ব্যবহার করা যায়। যেমন: কুসুম গরম অলিভ অয়েল চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করে গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় ১৫ মিনিট জড়িয়ে রাখতে হবে। তারপর চুলের উপযোগী শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে ফেলবেন।

* ভেজা চুল কখনও আঁচড়াবেন না। তোয়ালে দিয়ে খুব ঘষে চুল মুছলে চুলের ক্ষতি হয়।

* ভেজা চুল কখনও বাঁধবেন না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল আঁচড়াবেন।

* শীতের শাকসবজি ও ফল স্বাস্থ্যোজ্বল ত্বক ও চুলের জন্য প্রয়োজন। শিম, বরবটি, নানারকম শাক, মটরশুঁটি, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন।

* শ্যাম্পু শেষে চুলে ভালো মানের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে আপনার চুল থাকবে সুস্থ এবং সিল্কি দেখাবে।






মন্তব্য চালু নেই