মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশে বিধ্বস্ত আমিরাত

শেষ বিকেলে আলো ঠিকরে পড়ছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। সেই আলোতে চিকচিক করছিল বাংলাদেশ দলের মেয়েদের কচি মুখগুলো। সূর্যের আলোর তেজ যত কমেছে তার সঙ্গে ব্যস্তানুপাতিক হারে বেড়েছে বাংলাদেশের মেয়েদের আক্রমণের তেজ।

এফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আক্রমণের মুখে পড়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশ দলের মিডফিল্ডার সানজিদা আক্তার একাই নাস্তানাবুদ

ম্যাচের ৬ মিনিটের মাথায় কৃষ্ণা রানীর বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে বিপাশা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয় ১-০ গোলে। ৯ মিনিটের সময় বল নিয়ে ডি-বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়ে সানজিদা। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বোকা বানিয়ে একক প্রচেষ্টায় বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সে। ২১ মিনিটে আরো একটি গোলের সুযোগ পায় বাংলাদেশ। কিন্তু রাজিয়া ঠিকমতো কিক নিতে না পারায় গোল মিস হয়।

২৩ মিনিটের মাথায় আবারও সেই সানজিদা। বিপাশার বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল আদায় করে নেয় সে। পাশাপাশি বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। ২৭ মিনিটে আরো একটি সহজ গোলের সুযোগ মিস করে কৃষ্ণা।

৩৪ মিনিটে সুযোগ নষ্ট হয় আরো একটি। ৪৪ মিনিটে কৃষ্ণা যে সুযোগটি পায়, সেটি আর নষ্ট করেনি। তার জোরালো শটের বল আরব আমিরাতের গোলরক্ষকের হাতে লেগেও জালে আশ্রয় নেয়। ফলে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধের বিশ্রামে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

অবাক হলেও সত্য, প্রথমার্ধে আরব আমিরাতের কোনো খেলোয়াড় বল নিয়ে বাংলাদেশের ডি বক্সের মধ্যে ঢুকতে পারেনি। এতেই বোঝা যায় কতটা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

দ্বিতীয়ার্ধে আরো দুটি গোল পেয়েছে বাংলাদেশ দল। তার একটি করে বিপাশা। অন্যটি লিপি। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বিপাশাও সতীর্থ সানজিদার মতো ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৫-০ গোলে।

ম্যাচের অন্তিমলগ্নে (৯০+ মিনিট) বাংলাদেশের পক্ষে শেষ গোলটি হয় লিপির পা থেকে (৬-০)। আর তাতে বাংলাদেশ পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়।






মন্তব্য চালু নেই