মেইন ম্যেনু

বগুড়ায় টাকি মাছ ও কালোজিরা ভর্তা দিয়ে ভাত খেলেন প্রধানমন্ত্রী

টাকি মাছ ও কালোজিরা ভর্তা দিয়ে বগুড়ার সান্তাহারে দুপুরের খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বেলা ১২টা ১০ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে বগুড়া সান্তাহারে এসে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দেশের প্রথম মাল্টিস্টোরেজ ওয়ারহাউজ উদ্ধোধন শেষে সান্তাহার সাইলোর রেস্ট হাউসে তিনি দুপুরের খাবার খান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের একজন জানান, বগুড়ার সান্তাহারে এটি তার প্রথম আগমন। এ কারণে বগুড়াবাসীর পক্ষ থেকে তাকে জেলার ঐতিহ্যে আতিথীয়তা করা হয়। তার খাবারের তালিকায় তৈরি ছিল ৩২ রকমের আইটেম।

এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাটারিভোগ চালের ভাত, সবজি, মশুর ডাল, গ্রীন সালাদ, আলু করলা ভাজি, টাকি মাছ ভর্তা, আঠালো আলু ভর্তা, কালোজিরা ভর্তা, প্রাণের আচার, দেশি কই মাছ ভুনা, দেশি পাবদা মাছের ঝোল, সিমের বিচি দিয়ে শিং মাছের ঝোল, রুই মাছ ভুনা, কাজলী মাছ, আইড় মাছ, বড় টেংড়া, চিংড়ি ভুনা, দেশি মুরগির মাংস, কলিজা ভুনা, কবুতরের মাংস, কোয়েল পাখির ভুনা, খাশির মাংস ছাড়াও মিষ্টান্নের মধ্যে ছিল সাদা ও মিষ্টি দই এবং লেঞ্চা মিষ্টি। এছ্ড়াও বিভিন্ন ফল মূলও ছিলো তাদের খাবারের তালিকার মধ্যে।

উল্লেখ্য, ২৫ হাজার টন ধারণক্ষমতার অত্যাধুনিক বহুতলবিশিষ্ট খাদ্যগুদাম (মাল্টি স্টোরেজ ওয়্যারহাউজ) উদ্বোধন করতে রোববার দিনভর বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাপানের দাতা সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সিংহভাগ অর্থায়নে খাদ্যগুদামটি নির্মিত হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। এছাড়া বিকেলে স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময়ই বগুড়া প্রেসক্লাবের বহুতল ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজের শুভসূচনা করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে জেলার সান্তাহার, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, নওগাঁ, কাহালু, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে পড়েছে সাজসাজ রব। সড়কে ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টানানোর পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

সান্তাহারের যে সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাবেন সে সড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে দলীয় তোরণ। ৫ শতাধিক তোরণ ছাড়াও কয়েক হাজার ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।






মন্তব্য চালু নেই