মেইন ম্যেনু

ফের দুর্ভোগে বানভাসী মানুষ

ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানি সামান্য হ্রাস পেলেও কুড়িগ্রামের নিন্মাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় ৮ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম আবারও প্লাবিত হয়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে ফের পানিবন্দী হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে নিন্মাঞ্চলের পরিবারগুলো।

নতুন করে পানি বাড়ায় পানিবন্দী হয়ে আছে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে দুই উপজেলার অন্তত ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফলে শিক্ষার্থীরাও বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না।

স্থনীয়রা জানায়, গত ৪ দিন ধরে চর ও দ্বীপচরের ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। পানির প্রবল স্রোতে কাচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসী পরিবারগুলোর। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটের পড়েছে বানভাসীরা।

এদিকে কৃষি বিভাগ জানায়, বন্যায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন পানিতে তলিয়ে থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপপ্রকৌশলী সবিবুর রহমান বলেন, ‘গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৬ সেন্টিমিটার এবং সেতু পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে ধরলা নদীর পানি।






মন্তব্য চালু নেই