মেইন ম্যেনু

ফুটবলের গুন্ডারা

আর পাঁচ দিন বাদে মাঠে গড়াচ্ছে ব্রাজিল বিশ্বকাপ। এই মহাযজ্ঞ যতোই সামনে আসছে ব্রাজিলের স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের চিন্তা ততোই বাড়ছে। এর কারণ শুধুমাত্র বিশ্বকাপ বিরোধী শিবিরের উত্তাল মিছিল নয়। এই চিন্তার সবচেয়ে বড় কারণ ‘ফুটবলের গুন্ডারা’। এরা কোনো দেশের অন্ধ সমর্থক গোষ্ঠী। এরা কেবলমাত্র বর্ণিল রঙে সেজে মাঠই মাতান না, প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের ধরে পিটুনিও দেন।

ইংলিশ হুলিগান্স:
স্টেডিয়ামের গেট, রাস্তা, শপিং মল সর্বত্র মারামারিতে বিশেষ পটু এরা। সেজন্য যেখানেই ফুটবল বিশ্বকাপ হয় আয়োজকরা ইংলিশ হুলিগান্সদের নিয়ে চিন্তায় থাকেন। এর সাথে যদি আবার ক্রিকেটের ‘বর্মি আর্মি’ও যোগ দেয় তাহলে কপালে ভাঁজ পড়ার জোগাড় হওয়ারই কথা। এটাই হতে যাচ্ছে ব্রাজিলে।

ব্রাজিল আল্ট্রা:
নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ। সেজন্য এবার পেশি শক্তিটা একটু বেশি হবে ব্রাজিল ফুটবলের অন্ধভক্ত গোষ্ঠী ব্রাজিল আল্ট্রার। এরা ফুটবল স্টেডিয়ামে দলকে সমর্থন দেয়ার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ সমর্থকদের ঝিমিয়ে দিতে কখনো সখনো আক্রমণও করে বসে। সেজন্য ব্রাজিল আল্ট্রাদের নিয়ে বেশ চিন্তায় আছে পুলিশ।

বাররা ব্রাভাস:
মাঠে নেমে কোরাস তোলে ‘ভামোস ভামোস আর্জেন্টিনা’। আর বাইরে গুন্ডামি। এটাই কাজ বাররা ব্রাভাসের। তাছাড়া নিজেদের মহাদেশের বিশ্বকাপে এবার আলাদা আরো একটা মিশন আছে আর্জেন্টিনার এই উগ্র সমর্থককুলের। সেটা কী? তা হলো ফকল্যান্ড যুদ্ধের শোধ তুলতে ইংলিশদের ওপর আক্রমণ করা। এজন্য অনেক বাররা ব্রাভাস সদস্য নাকি বেলো হরিজন্তেতে জমায়েত করেছে।

জার্মান থান্ডার:
নিজেদের দেশে জার্মান থান্ডার নামে পরিচিত হলেও বিদেশে এদের জার্মান হুলিগান্স নামেই প্রসিদ্ধি। মাঠে ঝামেলা পাকাতে ওস্তাদ এরা। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে পুলিশকে মেরে বিশেষ কুখ্যাতি অর্জন করে জার্মান এই সমর্থকরা। এবারে জার্মানি থেকে পুলিশ যাচ্ছে ব্রাজিলে। সেটা কেবলমাত্র জার্মান থান্ডারদের নাশকতা থামানোর জন্যই।






মন্তব্য চালু নেই