মেইন ম্যেনু

ফরেনসিক রিপোর্ট আমার পক্ষেই আসবে : হ্যাপি

নায়িকা হ্যাপির ফরেনসিক রিপোর্ট প্রায় প্রস্তুত। যেকোনো দিন তা দাখিল হতে পারে মিরপুর থানায়। ওই রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে আছে তদন্তকারি সংস্থাসহ সারা দেশের মানুষ।

রিপোর্টে কি বেরিয়ে আসতে পারে? তাতে কি পেসার রুবেল ফেঁসে যেতে পারেন? না-কি হ্যাপির কোনো দূর্বলতা প্রকাশ পেতে পারে-এমন নানা গুঞ্জন এখন ভাসছে চারদিকে।

যাই হোক, ফরেনসিক রিপোর্ট বের না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলতে পারছেন না তদন্তকারি কর্মকর্তা। তবে এ ব্যাপারে হ্যাপির কনফিডেন্স শতভাগ। হ্যাপি জানান, ‘শতভাগ কনফিডেন্স নিয়ে বলছি, রিপোর্ট বের হলে টের পাবেন কত ধানে কত চাল।’

হ্যাপি বলেন, ‘নিজের প্রতি শতভাগ আস্থা না থাকলে আমি ফরেনসিক বিভাগে যেতাম না। আমি জানি সেখানে গেলে কি হতে পারে! নিজের প্রতি শতভাগ আস্থা আছে বিধায় ফরেনসিক বিভাগে গিয়েছি। প্রতিবেদন বের হোক দেখতে পারবেন। রুবেল বুঝতে পারবে তার জন্য কি অপেক্ষা করছে।’

এক প্রশ্নের উত্তরে হ্যাপি বলেন, ‘ফরেনসিক রিপোর্ট আমার পক্ষেই আসবে। আমি জানি কি রিপোর্ট আসতে পারে। ডাক্তারদের যদি প্রভাবিত না করা হয়, তবে অবশ্যই রুবেল ফেঁসে যাবে। তবে ফরেনসিক বিভাগের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে আমার।’

হ্যাপি আরো বলেন, ‘ফরেনসিক প্রতিবেদন থানায় জমা হওয়ার পর আমি রুবেলের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আবেদন করবো। এ সপ্তাহের যেকোনো দিন ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রকাশ হবে। তার আগে আমি আর কিছু বলতে চাই না।’

এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ও প্রতিবেদন সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আকম শরীফুজ্জামান জানান, হ্যাপির কাছ থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানোর পর কিছু রিপোর্ট হাতে এসেছে। দু-একটা এখনো হাতে আসেনি। কয়েকদিনের মধ্যে তা থানায় পাঠানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে কোন তারিখে রিপোর্ট পাঠানো হবে তা স্পষ্ট করেননি শরীফুজ্জামান । এছাড়া রিপোর্ট কি ধরণের হয়েছে তাও তিনি জানাতে রাজি হননি। তার ভাষায় এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নায়িকা নাজনিন আক্তার হ্যাপি জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

এরপর তাকে ভিকটিম সেন্টারে নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে নিয়ে তার একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর তাকে মিরপুর থানায় নিয়ে মামলা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাসায় পাঠানো হয়।

বাসায় থাকা অবস্থায় একাধিক গণমাধ্যম হ্যাপির সাক্ষাৎকার প্রচার করে। তবে গত রোববার রাতে ঢাকা এফএম ৯০.৪ এ ‘অন্ধকারের গল্প’ নামক সরাসরি এক অনুষ্ঠানে রুবেলের সঙ্গে প্রেম সম্পর্কিত পুরো বিষয়টি পরিস্কার করেন হ্যাপি। এরপর তিনি আর কোথাও সাক্ষাৎকার দেননি। এখন তিনি বাসায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।






মন্তব্য চালু নেই