মেইন ম্যেনু

প্রেম ধর্মে মজেছেন তসলিমা

“দেখে যারে মাজভান্ডারী হইতাছে নূরের খেলা, খাজা বাবা বসাইছে প্রেমের মেলা”- এই প্রেম কিন্তু তসলিমা নাসরিনের প্রেম নয়। তার মতো সব বয়সীদের নিয়ে প্রেম প্রেম খেলাও এটা নয়। একেবারে হৃদয় মন উজার করে আল্লাহর করুণা লাভের প্রেম। আধ্যাত্মিক প্রেম।

তবে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের প্রেমের খেলাটাও কিন্তু কম যায় না। বয়সের হাফ সেঞ্চুরিতেও তার দেহে পরন্ত বিকেলের সোনালি রোদ্দুর আছে। আছে রজ:রস, ঝিলিক সবই। তার চেয়ে কম বয়সী নতুন প্রেমিকও জুটেছে অবশেষে। দিনের কোলাহলের পর নিঃসঙ্গ রাতেও এখন ঝড় ওঠে। কাঁচা পাকায় জমে ক্ষীর হয়।

শুধু কি প্রেম, যে ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলার কথিত অভিযোগে নির্বাসিত তসলিমা, সেই ধর্মের প্রতি অগাধ অনুরাগ আর ভক্তি জমেছেন এখন। নামাজ রোজা রাখায় মন দিয়েছেন। অর্থাৎ একই সঙ্গে প্রেম এবং ধর্মে মজেছেন তসলিমা নাসরিন।

ভারতের দিল্লীতে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন আলোচিত সমালোচিত নারী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সে দেশের স্বদেশ অনলাইন পত্রিকায় একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, ধর্ম এবং ব্যক্তি জীবন নিয়ে  অতীতে তার লেখা এবং বক্তব্য এখন অনেকটাই ভুল বলে মনে হয়। ঘর সংসার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাযাবর জীবন তার কাছে আর ভালো লাগে না। মাঝে মাঝে নামাজ রোজায় মন দিতে চায়।

তসলিমার খেদোক্তি, ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় সব ছেড়ে নামাজ-রোজা করি, তাওবা করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। কম্যুনিস্টরাও তো একসময় বদলে যায়। আমার জন্ম ১২ই রবিউল আউয়াল, মহানবীর জন্মদিনে। নানী বলেছিলেন, আমার নাতনি হবে পরহেজগার। সেই আমি হলাম বহু পুরুষভোগ্য একজন ধর্মকর্মহীন নারী। বলা তো যায় না, মানুষ আর কত দিন বাঁচে। আমার মা ছিলেন পীরের মুরিদ। আমিও হয়তো একদিন বদলে যাব।’

তসলিমার এই বদলে যাওয়ার গানে নতুন সুর এক যুবক। যদিও মিডিয়ায় তার নাম প্রকাশ করেননি তসলিমা। তবে অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট করেছেন তার টুইটারে। তার চেয়ে কম বয়সী সেই যুবকের বুকেই এখন শান্তি সুখের নীড় বাধার স্বপ্নে বিভোর তসলিমা। যদিও ঘর বাঁধার কথা তিনি জানাননি। তবুও বিতৃষ্ণ জীবনে একটু কোমল পরশই ভাবা হচ্ছে এই নতুন সারথীকে। প্রায় শেষ ইনিংসের এই পার্টনার কেমন হবে সে কথা পপিং ক্রিজে দাঁড়িয়ে মোটেও ভাবছেন না তাসলিমা। সে শুধু প্রেমের ইনিংসটাই চালিয়ে যেতে চায়।






মন্তব্য চালু নেই