মেইন ম্যেনু

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মজীনার বিদায়ী সাক্ষাৎ না হওয়ার সম্ভাবনা

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা ঢাকা মিশন সম্পন্ন করে অবসর গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। তিনি আগামীকাল রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। কূটনৈতিক রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদের বিরোধী নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ চেয়ে পররাষ্ট্র দফতরে কূটনৈতিকপত্র পাঠায় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

পররাষ্ট্র দফতরের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে ওই কূটনৈতিকপত্র পাঠিয়ে উভয়ের সুবিধাজনক সময়ে সাক্ষাতের অনুরোধ জানানো হয়। এরই মধ্যে গত ১৫ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছেন। পরদিন বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ এবং গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষ করেছেন মজীনা।

পররাষ্ট্র দফতর ও মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা অপেক্ষায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ক্ষণ পেতে। এখনও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্পষ্ট কিছুই বলা হয়নি। নির্ধারিত সময়েই মজীনা চলে যাবেন বলে পরবর্তী যোগাযোগেও সরকারি প্রতিনিধিদের নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকাকালেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেণ ড্যান মজীনা।

গত সপ্তাহে এক ঝটিকা সফরে দ্বিতীয় বারের মতো পাবনা যান তিনি। সেখানে তিনি কৃষকের সঙ্গে বুক মিলিয়ে বিদায় নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ছাড়া বাকি প্রত্যাশিত সব সাক্ষাৎ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারের টানাপড়েনের মধ্যেই পররাষ্ট্র দফতরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চাওয়া হয়েছিল। কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল প্রধানমন্ত্রী তাকে সময় দেবেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক অঙ্গন থেকে যে খবর পাওয়া গেছে তাতে সাক্ষাতের সম্ভাবনা খুবই কম।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৪শে নভেম্বর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মধ্য দিয়ে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ড্যান মজীনা। ওই বছরের ১লা ডিসেম্বর তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন। সাক্ষাতকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সফরের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।

মজীনা বাংলাদেশে এক হাজার ১২২ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এরই মধ্যে হিলারির সফর সম্পন্ন হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নত হলেও সরকারের নানা ইস্যুতে টানাপড়ন চলছেই। সবশেষ তিনি গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন সহকারী মন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালের প্রথম ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। মার্কিন দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, আজ বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন মজীনা।






মন্তব্য চালু নেই