মেইন ম্যেনু

পাকিস্তানে বাবার ঋণশোধ করে বাড়ির সুন্দরী মেয়ে!

মাত্র একরাতের মধ্যে গোটা জীবনটাই বদলে গিয়েছিল জীবতির। জোর করে তাকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল এক প্রৌঢ়ের সঙ্গে।

তার ‌অপরাধ‌ ওই প্রৌঢ়ের কাছ থেকে পাকিস্তানি মুদ্রায় ১ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তার বাবা। তাছাড়া জীবতির আরও একটি অপরাধ ছিল, বাড়ির মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুন্দরী সে।

শুধু জীবতি নয়, তার মতো এমন নির্যাতনের শিকার দক্ষিণ পাকিস্তানের বহু মেয়েই। বাবা ঋণ চোকাতে না পারলে বাড়ির সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েকে বাধ্য করা হচ্ছে ঋণদাতাকে বিয়ে করার জন্য। জমি বা বাড়ির মতো ঘরের নারীদেরও গণ্য করা হচ্ছে সম্পত্তি হিসাবে। জীবতির মা আমেরি বলেছেন, ‘‌বাড়ির পুরুষদের সিদ্ধান্ত শেষ কথা। কেন আমার মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হবে, তাও আবার এমন একজনের সঙ্গে, যার সঙ্গে আমার মেয়ের বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। আমি অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমার কথা কর্ণপাত করেনি। ’‌

একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানিয়েছে, এইভাবে জোর করে ২০০০ ‌এর বেশি মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানে। এদের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছে দক্ষিণ পাকিস্তানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘‌গ্রিন রুরাল’‌। তাদের কর্মী গুলাম হায়দার বলেন, ‘‌পাকিস্তানের সংবিধান কখনওই এই ধরনের জবরদস্তিকে অনুমোদন দেয় না। এটা অসাংবিধানিক এবং বেআইনি। ’‌






মন্তব্য চালু নেই