মেইন ম্যেনু

পরিসংখ্যানে ব্রাজিল- জার্মানি মহারণ

ফুটবলপিয়াসীদের চোখ এখন বেলো হরিজন্তের এস্টাডিও মিনেইরোতে। কারণ, মঙ্গলবার দিগন্তের এই শহরেই ‘ডেভিড আর গোলিয়াথের’ লড়াইয়ে নামছে দুই ফুটবল জায়ান্ট ব্রাজিল ও জার্মানি। যেখান থেকে এক দল ১৩ জুলাই মারকানার ফাইনালে নাম লেখাবে। আর অন্য দলের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে শেষ চারেই। সেক্ষেত্রে এই দুই জায়ান্টের মধ্যে কে ফাইনাল নিশ্চিত করছে? ২৪ বছর বিশ্বকাপ ট্রফি থেকে দূরে থাকা জার্মানি নাকি সর্বাধিক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক ব্রাজিল? আসুন পরসংখ্যানের নিক্তিতে দেখে নেই দুই দলকে-

হেড টু হেড:
ম্যাচ: ২১
ব্রাজিলের জয়: ১২টি
জার্মানি জয়: ৪টি
ড্র: ৫টি

পেনাল্টি শুটআউটের রেকর্ড:
বিশ্বকাপের ইতিহাসে চারবার পেনাল্টি শুটআউটে অংশ নিয়ে তিনবার জয় তুলে নেয় ব্রাজিল। সেলেসাওদের একমাত্র পেনাল্টি শুটআউটের হারটি ১৯৮৬ সালে। সেবার কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হার মানে দ্য সাম্বা কিংরা। বাকি তিনবারের মধ্যে ইতালিকে ১৯৯৪ সালের ফাইনালে, হল্যান্ডকে ১৯৯৮ সালের সেমিফাইনালে আর এবার চিলিকে শেষ ষোলোর ম্যাচে হারায় ব্রাজিল।

অন্যদিকে বিশ্বকাপে চারবার পেনাল্টি শুটআউটে অংশ নিয়ে চারবারই জয় তুলে নেয়ার রেকর্ড জার্মানির। ‘দ্য মেশিন’রা ফ্রান্সকে ১৯৮২ সালের সেমিফাইনালে, মেক্সিকোকে ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে, ইংল্যান্ডকে ১৯৯০ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে এবং আর্জেন্টিনাকে ২০০৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে হারায়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি:
• বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কেবলমাত্র একবার মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার এই দুই পাওয়ারহাউস। যাতে জয়টি ব্রাজিলের ঝুলিতে। ২০০২ সালের ফাইনালের সেই মহারণে রোনাল্ডোর জোড়া গোলে পেন্টা জিতেছিল ব্রাজিল।
• কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ডসের পর চলতি বিশ্বকাপে যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্রাজিল ও জার্মানি। এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ১০টি করে গোল করেছে দল দুটি। অন্যদিকে কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ডস উভয়েই ১২টি করে গোল করেছে।
• এবার নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফির খোঁজে ব্রাজিল। ২০০২ সালে সর্বশেষ সোনার ট্রফি ঘরে উঠিয়েছে সেলেসাওরা। আর জার্মানি এবার ২৪ বছরের ট্রফি খরা ঘোচাতে মরিয়া। ১৯৯০ সালে তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখায় দলটি।
• এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পাস দেয়ার কৃতিত্ব জার্মান অধিনায়ক ফিলিপ লামের। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সফলভাবে ৪০৮টি পাস দিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ ফুলব্যাক। পাসিং দক্ষতা ৮৬.৬ শতাংশ।
• যৌথভাবে এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্রাজিলের নেইমার, জার্মানির থমাস মুলার ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তারা প্রত্যেকেই চারটি করে গোল করেছেন। তবে এই ত্রয়ীর মধ্যে নেইমার এই বিশ্বকাপে আর খেলতে পারবেন না। ইনজুরি তার বিশ্বকাপ স্বপ্নকে শেষ করে দিয়েছে।
• ব্রাজিল এখন পর্যন্ত জার্মানির বিপক্ষে ৩৯টি গোল করেছে। এর বিপরীতে জার্মানি সেলেসাওদের জালে ২৪ বার বল জড়ায়।






মন্তব্য চালু নেই