মেইন ম্যেনু

নোয়াখালীতে দুই গ্রামের বিরোধে হামলা ভাংচুর ॥ পিটুনিতে নিহত এক, আহত ৩

নোয়াখালীর অশ্বদিয়া ইউনিয়নের লালানগর ও কিল্লারচরের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে সোমবার বিকেলে কিল্লারচরের লোকজন বহিরাগতদের নিয়ে লালানগর গ্রাম ও কিল্লারহাটে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। পরে স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে বহিরাগতদের পিটুনি দিলে চারজন আহত হয়। আহতদের মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। পরে তাদের অবস্থার উন্নতি না হলে তাদের ঢাকায় রেফার করা হলে নেয়ার পথে রাহাত হোসেন পিয়াস (১৭) নামের একজন মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় সকালে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত পিয়াস অশ্বদিয়া ইউনিয়নের আইয়ুবপুর গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে। সে জেলা শহর মাইজদীস্থ হরিনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।

অপর আহতরা হচ্ছে একই গ্রামের মো. লিটনের ছেলে জুয়েল (১৬), আবদুর রহমানের ছেলে সাগর (১৭)। তাদের নোয়াখালী প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অপর আহত শরিফকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুধারাম থানা পুলিশ লালানগর গ্রাম থেকে কবির নামের একজনকে আটক করে। সে ওই গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে।

নোয়াখালীতে গণডাকাতি আহত দুই, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

এম.এ আয়াত উল্যা, জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী : নোয়াখালীর সেনবাগ ও সদর উপজেলার পৃৃথক স্থানে দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাকাত দলের হামলায় দুই জন আহত হয়েছে। এসব ঘটনায় ডাকাতিকালে ডাকাতদল স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান মালামাল সহ অন্তত ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। রাত ২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, হাজী নজির আহমদের ছেলে প্রফেসর নূরুল ইসলাম (৬০) ও তার স্ত্রী নাজমুন নাহার (৫১)।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে ২০-২৫ জনের একদল মুখোশধারী ডাকাতদল সেনবাগ উপজেলার পৌর এলাকার উত্তর কাদরা গ্রামের আবু তাহের ভূঁইয়া বাড়ীর বাউন্ডারি দেওয়াল টপকে ভিতরে প্রবেশ করে। পরে তারা আবু তাহের ভূঁইয়ার ঘরের লোহার গেইটের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে ঘরে থাকা লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় ডাকাতদল তাদের ঘরে থাকা নগদ ৪০ হাজার টাকা, ৭টি মোবইল ফোন, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র সহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এসময় ডাকাতদেরর বাধা দিতে গলে তারা আবু তাহের ভূঁইয়ার বোন নাজমুন নাহার ও ভগ্নিপতি নুরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। আহতদের উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরদিকে, রাত ৩টার দিকে ১০-১২ জনের একদল মুখোশধারী ডাকাতদল জেলার সদর উপজেলা নেওয়াজপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের সালা উদ্দিনের নতুন বাড়ীতে প্রবেশ করে দুই ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন সহ অন্তত এক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

একই ডাকাতদল রাত সাড়ে ৩টার দিকে ধর্মপুর গ্রামের সেলিমের নতুন বাড়ীতে ডুকে তাদের ঘরের গেইট ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও মূল্যবান জিনিসসহ অন্তত ৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কোন অভিযোগ আসেনি। তবে খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই