মেইন ম্যেনু

নিজের বুকের হাড় কেটে নেকলেস তৈরি !

নিজের পাঁজরের ২৩ সেন্টিমিটার দীর্ঘ একটি হাড় কেটে তা দিয়ে নেকলেস বানিয়েছেন চীনের এক চিত্রশিল্পী ইয়ুনচ্যাং। সে নেকলেস নিজে তো বটেই, মাকেও পরিধান করিয়েছেন তিনি। উদ্ভট ও লোমহর্ষক কর্মকাণ্ডে বিশেষজ্ঞ সার্জন তার ঘাড় থেকে ঊরু পর্যন্ত কেটেছিলেন।

এতে রক্তাক্ত হয়েছিল ইয়ুনচ্যাংয়ের পুরো শরীর। আর সেটাও তাকে অচেতন না করে বা ব্যথানাশক ওষুধের বিন্দুমাত্র সহায়তা না নিয়েই। শরীরে কাটাছেঁড়ার ভয়াবহ যন্ত্রণা সহ্য করতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। শিল্পের জন্য নিজের প্রাণ দেয়া ছাড়া সবকিছুই করতে রাজি আছেন তিনি।

এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এ ধরনের বেশ কিছু জীবন বিপন্নকারী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি, যা তার মুখমণ্ডলে ও সারা শরীরে এঁকে দিয়েছে ভয়াবহ সব ক্ষতচিহ্ন। নগ্ন শরীরে রক্তে ভিজে ও দুর্বিষহ যন্ত্রণাকে সহ্য করেই কোন বড় কিছু অর্জন সম্ভব, নিজের শিল্পের মধ্য দিয়ে সে দিকটিকেই ফুটিয়ে তুলতে চান ইয়ুনচ্যাং।

১২০টি সিগারেট ফুঁকে দিন কাটান এ চেইন-স্মোকার চিত্রশিল্পী। তিনি ১০টি ডামি পুতুলের হাত ও পায়ের নখ এঁকেছেন নিজ রক্ত দিয়ে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে তার স্থির ছবি, চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্যের প্রদর্শনী ও বিক্রি হয় চড়া দামে। এর আগে একবার একটি প্যানেলের মধ্যে স্থাপিত ১০ হাজার ওয়াটের বাল্বের দিকে সরাসরি ২৪ ঘণ্টা তাকিয়ে নিজের দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন তিনি।

আর সেটা করেছেন নিজেকে একটি কিউব আকৃতির কংক্রিটের মধ্যে আবদ্ধ রেখে। এতে তার গায়ে থাকা পোশাক এবং ত্বকের খানিকটা অংশ পুড়ে গিয়েছিল। একবার তো ক্রেনের সাহায্যে পা ওপরে ও মাথা নিচের দিকে দিয়ে ৯০ মিনিট ছিলেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়। একটি নদীর ওপর ঝুলে থেকে করা ওই কীর্তিতে তিনি নিজের দুই বাহু ব্লেড দিয়ে কেটেছিলেন। আর সেখান থেকে টপটপ করে রক্ত নদীর পানিতে পড়ছিল। এ ধরনের ভয়াবহ সব কীর্তির নায়ক উদ্ভট চিন্তাধারার এ চিত্রশিল্পী।






মন্তব্য চালু নেই