মেইন ম্যেনু

নতুন মানুষের সন্ধান মিলল ‘চাঁদের পাহাড়ে’ !

মানুষের বিবর্তনের ইতিহাস বড়ই জটিল। সম্প্রতি ইথিওপিয়ায় আবিষ্কৃত আদিম মানুষের বেশকিছু জীবাশ্ম পরীক্ষার পর এমনই সিদ্ধান্তে পৌঁছছেন বিজ্ঞানীরা। আজ থেকে প্রায় ৩৪ লাখ বছর আগের এমন এক ধরনের মানুষের জীবাশ্মের খোঁজ মিলেছে, যার সন্ধান এর আগে পাওয়া যায়নি।

এই জীবাশ্ম স্পষ্ট প্রমাণ করছে, মানুষের একাধিক প্রজাতি ছিল। আরো সহজ করে বললে, নতুন মানুষের আবিষ্কার। এখনো পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া আদিম মানুষের আকৃতির সঙ্গে একেবারেই মিল নেই এই প্রজাতির।

ইথিওপিয়ায় পাওয়া এই নতুন প্রজাতির মানুষের নাম দিয়েছেন অস্ট্রালোপিথেকাস ডেইরেমেডা। এই প্রজাতির মূল বৈশিষ্ট হলো দাঁত ও চোয়াল।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, অস্ট্রালোপিথেকাস ডেইরেমেডা প্রজাতির মানুষদের মোটা ও শক্ত চোয়াল ছিল। সামনের দাঁতের সারি মুখের তুলনায় ছোট ও মোটা এনামেলের স্তর।

এর আগে বিজ্ঞানীরা ‌‘লুসি’ নামে আদিম মানুষের জীবাশ্মের খোঁজ পেয়েছেন। তাদের দাবি, অস্ট্রালোপিথেকাস ডেইরেমেডার সঙ্গে লুসি প্রজাতির খানিকটা মিল হলেও, এরা একেবারে পৃথক প্রজাতি।

এই প্রজাতির সন্ধান আগে মেলেনি। অস্ট্রালোপিথেকাস ডেইরেমেডা পৃথিবীতে বাস করতো আজ থেকে ৩৫ লাখ বছর আগে। এদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন ধারনের প্রকৃতিও অন্যদের তুলনায় ভিন্ন ছিল।

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, সাধারণত আমরা জানি, শিপাঞ্জিই মানুষের পূর্বপুরুষ। কিন্তু আদতে বিষয়টি অতটা সহজ নয়। মানুষের বিবর্তনের অধ্যায় যথেষ্ট জটিল। বিশেষ করে আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পাওয়া নানা জীবাশ্ম পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে, মানুষের একাধিক প্রজাতি ছিল। সেই প্রজাতিগুলো স্বতন্ত্রভাবেই বসবাস করতো আফ্রিকা ভূখণ্ডে। প্রাগৈতিহাসিক যুগে বর্তমান আফ্রিকাই নাকি ছিল বিশ্বের অন্যতম জনবহুল এলাকা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেভল্যান্ড মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রির কিউরেটর ইওনেস হেইল-সেলাসির কথায়, ‘অস্ট্রালোপিথেকাস ডেইরেমেডাকে আদিমতম প্রজাতিগুলোর সিস্টার প্রজাতি বলাই যায়।

সূত্র : এই সময়






মন্তব্য চালু নেই