মেইন ম্যেনু

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন

দ্বিতীয় দফায় বাড়ছে প্রকল্পের মেয়াদ

ইউনিসেফ-বাংলাদেশের সহায়তায় ২০০১-২০০৬ সালে শুরু হওয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় আরো ২ বছর বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব আকম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘জন্ম নিবন্ধন দিবস ২০১৪: তথ্যের শুদ্ধতা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান
৩ জুলাই জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ২০০৬ সাল থেকে প্রতিবছরের ৩ জুলাই এ দিনটি ‘জন্ম নিবন্ধন দিবস’ হিসেবে উদযাপন হয়ে আসছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘জন্ম একবার, নিবন্ধনও একবার’।
জানা জায়, ২০০৬ সালে ২৮টি জেলায় ও ৪টি সিটি করপোরেশনে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। ২০১২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে হাতে লেখা প্রায় ১৬ কোটি ২৫ লাখ নিবন্ধিত ব্যক্তিকে অনলাইনভুক্ত করে ডাটাবেইজ সংরক্ষণ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আকম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘২০১২ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দক্ষ জনবল ও ইন্টারনেটের ধীরগতি ও সব জায়গায় ইন্টারন্টে সেবা না পৌঁছানোর কারণে আমরা নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারিনি। পরে আমরা আরো এক বছর সময় বাড়িয়ে ২০১৩ সালের ৩০ জুন পর্যদন্ত সময় বাড়িয়ে নিয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘একই কারণে এবছরও নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারিনি। প্রকল্পের মেয়াদ আরো ২ বছর বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দিয়েছি। তারা কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবে।’
পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে এ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হবে না। তবে আমরা আর থাকবো না। সে ক্ষেত্রে কোনো জবাবদিহিতা থাকবে না। তবে রেজিস্ট্রার জেনারেল নিয়োগ দেয়া হয়ে গেলে তখন তিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা ১১ কোটি ১৭ লাখের অধিক ব্যক্তির জন্ম তথ্য অনলাইনভুক্ত করেছি। দেশে ৪৯৯৬টি নিবন্ধক অফিস এবং দেশের বাইরে ৩৬টি দূতাবাসে অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের কাজ চলছে।’ চলতি বছরের মধ্যে সবাইকে অনলাইনভুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জন্ম নিবন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারি এ আমলা আরো বলেন, ‘আমাদের দেশের অনেক লোক বিদেশ গমন ও ছেলে-মেয়ে স্কুলে ভর্তির জন্য মিথ্যা তথ্য দিয়ে বয়স বাড়িয়ে অথবা কমিয়ে নেয়, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জন্ম নিবন্ধন আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির এক বছরের জেল এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম-সচিব মো. শরিফুল ইসলাম, সহকারী প্রোগ্রামার সামিয়া আক্তার, খালিদ বিন ইউসূফ প্রমুখ।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই