মেইন ম্যেনু

দৈত্যাকৃতির কাঁকড়া

কথায় আছে, যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ। কিন্তু বর্তমান এই সময়ে এই কথাটা একটু মনে হয় পাল্টে গেছে। এখন এই কথাটা হওয়া উচিত, যায় দিন ছোটো, আসে দিন বড়। তা না হলে কথা নেই বার্তা নেই ব্রিটেনের হুইটস্ট্যাবেলের কেন্ট সমুদ্র সৈকতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কাঁকড়াটিকে দেখা যেত না। ব্রিটেনবাসী দৈতাকৃতির এই কাঁকড়ার নাম দিয়েছে ‘ক্র্যাবজিলা’।
৫০ ফুট প্রস্থের কাঁকড়াটির ছবি তোলার জন্য উপায় না পেয়ে আলোকচিত্রীকে হেলিকপ্টারেও উঠতে হয়েছে। আর হেলিকপ্টার থেকেই তুলতে হয়েছে ক্র্যাবজিলার ছবি। আর সেই ছবিই গোটা ইন্টারনেট দুনিয়ায় হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। তবে ইন্টারনেটে ছবিটি দেয়ার পর একদিকে যেমন উৎসাহী মানুষের ভিড় বেড়েছে তেমনি সন্দেহপ্রবণ মানুষের মুখও খুলেছে। কেউ কেউ বলছেন পুরো বিষয়টি আজগুবি আর বানানো।
ছবিটিতে দেখা যায় কাঁকড়াটি কেন্ট সৈকতের দিকে মুখ করে আছে। আর তার উপরেই আছে মাছ ধরার অনেকগুলো নৌকা। তবে সন্দেহপ্রবণদের যতই সন্দেহ থাকুক না কেন। এটা তো মোটামুটি সবাই জানেন যে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাতের কাঁকড়া একমাত্র ব্রিটেনেই পাওয়া যায়। তাই এই দৈত্যাকৃতির কাঁকড়ার সংবাদকে একেবারে গুজব বলে উড়িয়ে দিতে পারছেন না খোদ সন্দেহপ্রবণরাও।
ছবিটি সর্বপ্রথম যে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় সেই ওয়েবসাইটের সংরক্ষক কুইনটন উইন্টার বলেন, ‘আমাকে আমার এক অনুসারী এই ছবিটি পাঠিয়েছে। প্রথমে আমি অতটা নিশ্চিত না হলেও এখন আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে ওটা একটা বিশাল কাঁকড়া।’
অন্য আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ডেইলি এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘প্রথমে আমি অল্প নড়াচড়া দেখতে পাই। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এরপর দেখতে পাই ওটা পানি থেকে একটু উপরের দিকে উঠছে। প্রথমে হাস্যকর মনে হলেও পরে বীভৎস লাগছিল।’



« (পূর্বের সংবাদ)
(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই