মেইন ম্যেনু

দেবর-ভাবীর প্রেম কাহিনী

৮ বছর বয়সী সন্তানের জননী নাসরিন আক্তারের (৩৫) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো ২১ বছর বয়সী দেবর জমির উদ্দিনের।

বড় ভাই প্রবাসে থাকার সুযোগে ভাবীর সমস্ত কাজ করে দেওয়ার পাশাপাশি খুব কাছাকাছি থাকার সুযোগে অসম পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলো এই দেবর-ভাবী। প্রায় দুই বছরের প্রেম থেকে শুরু হয় অনৈতিক সম্পর্ক।

ঘটনাটি বাড়িতে জানাজানি হতেই শেষ পরিণতি, দেবর-ভাবী একে অপরের হাত ধরে অচেনা গন্তব্যে পলায়ন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের দক্ষিণ কোদালা গ্রামে।

দেবরের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া নাসরিন আক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে নগদ ২৫ লাখ টাকা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে এই গৃহবধু। গত ২০ নভেম্বর এই ঘটনায় রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছে গৃহবধুর শ্বশুর পক্ষ।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের দক্ষিণ কোদালা গ্রামের আব্দুল খালেকের প্রবাসে থাকা ছেলে মো. মুন্সি আহম্মদ প্রকাশ বদির সঙ্গে চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের সুফিগোট্টা গ্রামের আবুল কাসেম মিস্ত্রীর মেয়ে নাসরিন আক্তারের বিয়ে হয়। ১৬ বছর আগে সামাজিকভাবেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর মুন্সি আহমদ নিজ কর্মস্থল সৌদি আরবে চলে যান। তাদের সংসারে ৮ বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। স্বামী বিদেশ থাকায় পরিবারে নাসরিন আক্তারের কনিষ্ঠ দেবর মো. জমির উদ্দিন ভাবী নাসরিনের ব্যক্তিগত সব কাজকর্ম করে দেয়। পরিবারে সব কাজে নাসরিনের সাথী ছিলো ছোট্ট দেবর জমির। সেই সুবাদে ভাবী নাসরিন আক্তারের সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে জমির। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক স্পাপিত হলে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতে পারে। এতে পরিবারের মধ্যেই অশান্তির সৃষ্টি হয়।

নাসরিনের বড় দেবর মো. খোরশেদ আলম জানান, ছয় ভাইয়ের মধ্যে আমাদের বড় ভাই প্রবাসে থাকার সুবাদে সবার ছোট ভাই জমির বড় ভাবীর কাজ কর্ম করে দিত। এই সুযোগে তাদের মধ্যে অনৈতিক সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি হলে কয়েকদিন আগে নাসরিন আক্তার ও জমির উদ্দিন বাড়ি থেকে নগদ ২৫ লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণলংকার ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় গত ২০ নভেম্বর প্রবাসীর ছোট ভাই মো. খোরশেদ আলম বাদী হয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়ালি উল্লাহ ওলি অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই