মেইন ম্যেনু

দুর্নীতির জন্য বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ছে

রকারের লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বারবার বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান।

বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল কর গণ শুনানির নামে গণ প্রতারণা জনগণ মানবে না’ শীর্ষক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেলিমা রহমান বলেন, ‘সরকার কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার টাকা লুটপাট করছে। তারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে পারছে না। বিদ্যুতের অভাবে দেশের কলকারখানা, অনেক গার্মেন্টস শিল্প বন্ধ হয়ে গেছে। পোশাক শিল্পে বিএনপির আমলে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২ নম্বরে এখন তা ৪ নম্বরে নেমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘এ সরকার জনগণের সরকার নয়। এ সরকারের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নেই। এ সরকারকে জনগণ ভোট দেয়নি। যারা নিজেদেরকে নির্বাচিত দাবি করে তারা নিজেরাও ভোট দিতে পারেনি। এ সরকারকে জনগণ আর চায় না।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ আজ সচেতন। তারা এ সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। বেগম খালেদা জিয়া মানুষের সঙ্গে আছেন অধিকার আদায়ে। তাই এ সরকার ষড়যন্ত্র করে জিয়া পরিবার ও বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।’

সরকারের উদ্দেশে সেলিমা রহমান বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াবেন না। বাড়ালে জনবিস্ফোরণ ঘটবে। তখন আপনাদের আর পথ খোলা থাকবে না।’

অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যে মন্ত্রী বলতে পারে ৪ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি কোনো ব্যাপার নয়, ঘুষ অবৈধ নয়। তাহলে এ সরকারের উন্নয়ন কীভাবে করবে। দুর্নীতিকে এ সরকার উৎসাহিত করছে।’

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘সরকার পরিবর্তন সময়ের দাবি। সময় এসেছে সরকার বদলের। এ অবৈধ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের স্বাধীনতা থাকবে না। তাই আসুন, বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সকলে মিলে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করি।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি  ফরিদা মনি শহিদুল্লাহর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন- বিএনপির সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই