মেইন ম্যেনু

দুই শিক্ষকের দ্বন্দ্বে শেকৃবি রণক্ষেত্র

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের দুই প্রভোস্টের দ্বন্দ্বে ক্যাম্পাস রণক্ষেত্র। এ ঘটনায় শিক্ষক, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ১৩টি সিটের একটি লিস্ট করেন সহকারী প্রভোস্ট শরমিন শৈলী। কিন্তু সেটি একই এলাকার হওয়ায় হল প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার ভদ্র তা মেনে নিতে পারেননি। আর সে কারণেই দুই প্রভোস্টের মধ্যে অন্তদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।

বিষয়টি নিয়ে পরে শৈলীর স্বামী উদ্যান তথ্য বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সঙ্গে অসীম কুমারের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অসীম কুমারকে লাঞ্ছিত করেন অধ্যাপক নজরুল।

পরবর্তীতে সেটিকেই কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ শৈলীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করে। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষক শৈলীর সমর্থক শিক্ষার্থীরা এসে তাতে বাধা দেয়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রলীগ নেতারা ঘটনাস্থলে এলে তাদের উপর হামলা চালানো হয়।

হমালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টোর খায়রুর কবির, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীস দাসসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দাঙ্গা পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে ছাত্রভঙ্গ হয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা।

অবশ্য কিছু বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থী হলের ভেতর ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা হল থেকে বেশ কয়েকটি বিছানা নিচে ফেলে দেয়। পরে অবশ্য পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শেরেবাংলা নগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই অনন্ত বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি। বর্তমানে ক্যাম্পাস শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে বেশকিছু পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

ঘটনাস্থলে থাকা এসআই আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। এখন কোনো সমস্যা নেই। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা যার যার হলে ফিরে গেছে।’

এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের বৈঠক চলছে।






মন্তব্য চালু নেই