মেইন ম্যেনু

দিল্লীকে সতর্ক করলো ঢাকা

আত্মগোপন করে আছে। তাছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সির (এনআইএ) কাছে এও তথ্য রয়েছে যে, ২০১৪ সালে দেশটির বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সঙ্গে জেএমবি’র সদস্যরা সরাসরি জড়িত ছিলো।

রিপোর্টে আরো দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা- এই তিন রাজ্যে প্রায় ২ হাজার ১০ জন হুজি ও জেএমবি সদস্য অনুপ্রবেশ করেছে। এরমধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়েই ঢুকেছে ৭২০ জঙ্গি। বাকি ১২৯০ জঙ্গি সদস্য দেশটিতে প্রবেশ করেছে আসাম ও ত্রিপুরা হয়ে।

এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ স্বরাষ্ট্রদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের এই সতর্কবার্তাকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এমনকি রিপোর্টের বিষয়বস্তু নিয়ে তথ্য জোগাড় করা হচ্ছে।

আসাম পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ৬ মাসে ৫৪ জন জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের জেরে সম্প্রতি এ অঞ্চলে জঙ্গি কার্যক্রম বেড়েছে। গত ১২ জানুয়ারি আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের লোকদের সাহায্যে নকল পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে ঢুকেছে জেএমবির সেক্রেটারি ইফতাদুর রহমান। এছাড়া ভয়াবহ এই জঙ্গি সদস্য দিল্লী গিয়েছিলেন বলেও ভারতের গোয়েন্দাদের হাতে প্রমাণ রয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া।






মন্তব্য চালু নেই