মেইন ম্যেনু

তারেক সাঈদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন র‌্যাবের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ।

বুধবার ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হচ্ছে। ৬ষ্ঠ দফায় ৩২ দিন রিমান্ডে নেয়ার পর র‌্যাবের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা এ জবানবন্দি দেন বলে জানা গেছে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, সকাল ৯টার দিকে আদালতে আনার পর নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের খাস কামরায় তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে নেয়া হয়। সেখানেই তার ১৬৪ ধারায় দেয়া এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হচ্ছে।

এর আগে চার জুন বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালতে মেজর আরিফের ১৬৪ ধারায় দেয়া এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দিতে মেজর আরিফ এ হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত বর্ণনা করেন। নজরুল হত্যা মামলায় ২০ পাতার এবং চন্দন সরকার হত্যা মামলায় ২০ পাতার জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দি শেষে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পরদিন পাঁচ জুন বৃহস্পতিবার ৭ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম.এম. রানা।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল সাতজনের অপহরণের পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর র‌্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ ও মেজর আরিফ হোসেন ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এমএম রানাকে ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। গত ৩০ এপ্রিল তিন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়।

সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের দেয়া ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাবের ওই তিন কর্মকর্তাসহ অন্যরা সাতজনকে হত্যা করেছেন, এমন অভিযোগ করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নিহত নজরুল ইসলামের পরিবার।

নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ও তার বাবা (নজরুলের শ্বশুর) শহীদুল ইসলাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে পরে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন হাইকোর্ট।






মন্তব্য চালু নেই