মেইন ম্যেনু

তরুণীর তলপেটে ছুরি মেরে পালাল যুবক, ধরে দিল পাড়ার কুকুর

যে দু’টি কুকুরের তৎপরতায় রঘুনাথ ধরা পড়ে, এক অটোচালক লালন-পালন করে ছোট থেকে তাদের বড় করেছেন। পাড়ার সকলেই কুকুর দু’টিকে ভালবাসেন, এবং দেখভাল করে থাকেন।

কথায় বলে, কুকুর মানুষের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের এক জন। সেই প্রবাদ যেন পুনঃপ্রমাণিত হল চেন্নাই-এর একটি ঘটনায়।

২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ নিজের হোস্টেল থেকে বেরিয়ে বাস স্টপের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন সি সুচিস্মিতা। সেই সময়েই অকস্মাৎ এক যুবক তাঁকে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। সুচিস্মিতার তলপেটে সে ছুরিকাঘাত করে। আহত সুচিস্মিতা পালিয়ে হোস্টেলের দিকে ছুটে আসেন। ও দিকে আততায়ী তখন পালানোর জন্য ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিয়েছে। সেই সময়েই পাড়ার দু’টি কুকুর তাড়া করে সেই আততায়ীক‌ে। কুকুরের তাড়া খেয়ে দিশেহারা যুবক দৌড়তে গিয়ে একটি চলন্ত মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তখনই পাড়ার লোকজন তাকে ধরে ফেলে।

জানা গিয়েছে, যুবকের নাম রঘুনাথ। সুচিস্মিতা এবং রঘুনাথ দু’জনেই একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে কাজ করতেন। রঘুনাথের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অভব্য আচরণের অভিযোগ এনেছিলেন সুচিস্মিতা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে চাকরিও যায় রুঘুনাথের। সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই সুচিস্মিতাকে আক্রমণ করেছিল রঘুনাথ।

এ দিকে, যে দু’টি কুকুরের তৎপরতায় রঘুনাথ ধরা পড়ে, এক অটোচালক লালন-পালন করে ছোট থেকে তাদের বড় করেছেন। পাড়ার সকলেই কুকুর দু’টিকে ভালবাসেন, এবং দেখভাল করে থাকেন। সেই দুই চতুষ্পদই যে পাড়ায় হামলা চালানো এক ব্যক্তিকে ধরে দিয়েছে, তাতে খুশি সকলেই।

রঘুনাথ আপাতত পুলিশি হেফাজতে। আর সুচিস্মিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর আঘাত গুরুতর নয় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন ধীরে ধীরে।






মন্তব্য চালু নেই