মেইন ম্যেনু

কৃতিত্বটা সাকিব-মুশফিককেই দিচ্ছেন জুবায়ের

তবুও জয়েই চোখ জিম্বাবুয়ের

টেস্ট ক্রিকেটে জীবনের সেরা ইনিংস খেলেও খুশি হতে পারছেন না এলটন চিগম্বুরা।

কারণ, আরাধ্য স্বপ্নের কাছাকাছি গিয়েই অপমৃত্যু হয়েছে জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ব্যাটিং স্তম্ভের আনন্দদায়ী এক ইনিংসের। শুধু তিনি নন, আত্মহুতির মিছিলে ছিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও সিকান্দার রাজাও। তাতেই যতো অসন্তুষ্টি সাবেক জিম্বাবুয়ে অধিনায়কের।

তবে মাসাকাদজা, রাজা, চাকাভা ও নিজের ব্যাটিংয়ই হয়তো আশাবাদী করেছে চিগম্বুরাকে। তাই শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের থেকে ১৫২ রান পিছিয়ে থেকেও জয়ের কথা বলতে পারছেন চিগম্বুরা। তিনি বলছেন, ‘হ্যাঁ, এটা ঠিক যে তারা ১৫২ রান এগিয়ে। কিন্তু এটা চেজ করা অসম্ভব নয়।’

আগের সর্বোচ্চ ৮৬ রানকে মাড়িয়ে ৮৮ রানের ইনিংস খেলা নিয়ে চিগম্বুরার ভাষ্য, ‘সবারই স্বপ্ন থাকে মাইলফলক ছোঁয়ার। কিন্তু কেউ যখন সেটা করতে ব্যর্থ হয় তখন অবশ্যই তাকে হতাশা স্পর্শ করে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। কিন্তু এটাই তো ক্রিকেট। যতোক্ষণ আপনি লক্ষ্যে না পৌঁছাবেন, ততোক্ষণই চেষ্টা করে যাবেন সেটা অর্জনের জন্য।’

প্রসঙ্গত, নিজের সাক্ষাৎকারের এক ফাঁকে বাংলাদেশের নবীন স্পিনার জোবায়ের হোসেনকেও বাহবায় পিঠ চাপড়ে দেন চিগম্বুরা। জানান যে, পাঁচ উইকেট দখল করা অবশ্যই কৃতিত্বের।

কৃতিত্বটা সাকিব-মুশফিককেই দিচ্ছেন জুবায়ের:
নিজেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ঢাকা ও খুলনায় রেকর্ড পরিমাণ উইকেট শিকার করে দলকে জিতিয়েছেন তিনি। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে তার স্পিন কাজ হচ্ছিলো না। সেজন্য অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আলোচনা করে জুবায়ের হোসেনকে আক্রমণে নিয়ে আসেন বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তাতেই কিস্তিমাত বাংলাদেশের। জুবায়ের চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করে স্বাগতিকদের চালকের আসনেই রেখেছেন।

জুবায়ের

শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের অন্যতম সেরা দুই স্পিনার সাকিব ও তাইজুল একটি করে উইকেট শিকার করলেও ১৯ বছর বয়সী তরুণ লেগ স্পিনার একাই পাঁচ উইকেট দখল করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘আমি যখন বল করছিলাম তখন সাকিব ভাই ও মুশফিক ভাই আমাকে দারুণ সাহায্য করেছে। আসলে ওনারা আমাকে যেভাবে বল করতে বলেছে সেভাবেই বল করেছি। আর তাতেই সাফল্য পেয়েছি।’

তৃতীয় দিনের খেলা শেষের সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের আরো বলেন, ‘আমাদের ম্যাচ পরিকল্পনা ছিলো ধৈর্য্য ধরে বল করা। আমি যখন বল করছিলাম তখন মুশফিক ভাই ও সাকিব ভাই বারবার আমাকে বলেছে, তুই ধৈর্য্যহারা হবি না। আজ চার ওভার বল করার পর আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। তখন সিকান্দার রাজা ও টেলকে কিভাবে আউট করতে হয় সে কৌশল শিখিয়ে দেন মুশফিক ভাই। আমি সেভাবে বল করেছি ওই দুজনের বিপক্ষে সাফল্য পেয়েছি।’ এছাড়া ম্যাচের পরিকল্পনা ও টার্গেট নিয়ে জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এখনো জয়ের জন্য খেলছি। আজ আমাদের পরিকল্পনা ছিল বল হাতে ধৈর্য্য ধরা। কেননা খেলার মাঝে এটা ধারণ করতে পারলেই সফল হওয়া যায়।’






মন্তব্য চালু নেই