মেইন ম্যেনু

তথ্য গোপন করে শীর্ষ সন্ত্রাসীর জামিন!

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখল করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী দিদারুল আলম কাজেমি ওরফে কিরিচ বাবুলকে তথ্য গোপন করে জামিন পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

রোববার চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মশিউর রহমানের আদালতে এ সংক্রান্ত একটি আবেদন জমা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আবু মুহাম্মদ এমরানের ছেলে আবু মুহাম্মদ আরিফ।

একই সঙ্গে আবেদনটি চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার, নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) এবং দুটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাবরেও পাঠিয়েছেন মামলার বাদী আবু মুহাম্মদ আরিফ।

অভিযোগকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, ‘পুলিশের করা রিমান্ডের আবেদন গোপন করে কিরিচ বাবুলকে জামিন পেতে সহযোগিতা করেছে কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি। আমরা সিএমএম বরাবরে অভিযোগ জমা দিয়েছি। এখন সিএমএম তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাস্টারপোল খেজুরতলী এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা আবু মুহাম্মদ এমরানের পরিবারের জায়গা দখল করতে যান কিরিচ বাবুল। এ সময় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং হামলা চালায় কিরিচ বাবুল ও তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা।

এমরানের পক্ষ থেকে বিষয়টি বাকলিয়া থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিরিচ বাবুলকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় এমরানের ছেলে আবু মুহাম্মদ আরিফ বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ। গত ১১ সেপ্টেম্বর ওই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির সময় নির্ধারিত ছিল মহানগর হাকিম আহমদ সাঈদের আদালতে। একই দিন কিরিচ বাবুলের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়।

অভিযোগকারী জানান, পরে কিরিচ বাবুলের জামিন পাওয়ার রহস্য জানতে গিয়ে মামলার নথিপত্র তল্লাশি করে দেখা যায়, নির্ধারিত আদালতের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা মামলার নথিতে রিমান্ড আবেদনটি সংযুক্ত না করায় সহজেই জামিন পেয়ে যান কিরিচ বাবুল। রিমান্ড আবেদনটি গোপন করায় সংক্ষুব্ধ হয়ে বাদী আবু মুহাম্মদ আরিফ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সিএমএমের কাছে আবেদন জানান।

উল্লেখ্য, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বাবুলের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ ২২টি মামলা আছে।






মন্তব্য চালু নেই