মেইন ম্যেনু

ঢাকায় জেন্টস ও ম্যাসাজ পার্লারের নামে চলছে অনৈতিক কর্মকান্ড, দেখার কি কেউ নেই?

রাজধানী ঢাকায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে জেন্টস্ বিউটি পার্লার ও ম্যাসাজ পার্লার। এসব পার্লা আড়ালে চলছে অনৈতিক ও অসমাজিক কর্মকান্ড। অভিযোগ আছে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডের সুযোগ দিয়ে মোটা অংকের অর্থ মাসোয়ারা তুলছে পুলিশ প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি।

রাজধানীর উত্তরা, বানানী, গুলশান, ধানমন্ডি, এলিফেন্ট, মিরপুর এবং মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকায় এসব জেন্টস্ ও লেডিস পার্লার। বাইরে থেকে ভিতরের পরিবেশ অনুমান করা খুবই কঠিন। ভিতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে ছিমছাম পরিপাটি সেলুন। অথচ এর মধ্যে চলছে ভয়ঙ্কর অনৈতিক কর্মকান্ড। বাহিরের দিকটায় পর্দা টানিয়ে ভিতরে ঢুকলেই দেখা মিলবে স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটি পড়ুয়া সুন্দরী যুবতীদের আনা গোনা। এখানেই চলে যতসব অনৈতিক কর্মকান্ড। স্কুল-কলেজের উঠতি বয়সী ছেলেরাসহ যুব-সমাজের একটি বড় অংশ এদের খরিদ্দার।

এসকল পার্লারে রাখা আছে ছেলে-মেয়েদের সটস্ ও এপ্রোন। রাশেদ নামের একজন খোদ্দের জানান, তিনি পেশা ছাত্র। রাজধানী একটি প্রাইভেট ভার্সিটিতে এমবিএ পড়েন। মাঝে মধ্যে এখানে আসেন শরীর ম্যাসাজ করাতে।

এখানে কাজ করেন এমন একজনের নাম মিষ্টি। তিনি জানান, মাসিক ৮ হাজার টাকা বেতনে দুই মাস হয় তিনি এখানে চাকরি নিয়েছেন। তবে তিনি কি ধরনের ম্যাসেজ করেন সেই ব্যাপারে প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে চুপ হয়ে যান।

নির্ভরযোগ্য তথ্য পেয়ে রাজধানীর কালশী এলাকার একটি বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায় একই ধরনের একটি পার্লার। পার্লারের বিষয়ে বাড়ির মালিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখানে কিছু অনৈতিক কাজ হয় জানতে পেরে তিনি তাদের নোটিশ দিয়েছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে তারা বাসা খালি করে দিবে বলে জানিয়েছে।

স্থানী একজন দোকানী জানান, এখানে এমন অনৈতিক কাজ হয় তা সবাই জানে। কিন্তু পুলিশ তাদের কিছু বলে না। অসামাজিক এসব পার্লার থেকে পুলিশের কিছু কর্মকর্তা মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়।

এই ব্যাপারে কথা বলার জন্য স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ ও আগামী দিনে দেশের সম্ভাবনাময় তরুণ সমাজকে রক্ষায় প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবে এমনটাই সকলে প্রত্যাশা।






মন্তব্য চালু নেই