মেইন ম্যেনু

জিতেই চলেছে টাইগাররা

টানা চতুর্থ ম্যাচ জয় করে ধবলধোলাইয়ের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল টাইগাররা।  টানা তিন ম্যাচে সহজ জয়ের পর শুক্রবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে জয়টা নিয়ে এক সময় সংশয়েই পরতে হয়েছিল স্বাগতিকদের। তবে সব সংশয় জয় করে শেষ পর্যন্ত হেসে খেলেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মাশরাফি বাহিনী। শেষ পর্যন্ত  ২১ রানের জয় নিয়ে সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

স্বাগতিকদের ২৫৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৩৫ রানেই থেমে গেছে সফরকারীদের ইনিংস। ব্রেন্ডন টেইলর ও সলোমান মিরের শত রানের জুটিতে এক সময় জয় নিয়েই সংশয়ে পড়তে হয়েছিল স্বাগতিকদের। তবে তরুণ জুবায়ের হোসেনের ঘূর্ণি জাদুতে সলোমান মিরের বিদায়ের পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি মাশরাফিদের। ৩৪তম ওভারে টেইলরকে ফেরান রুবেল হোসেন। তারপর একে একে বিদায় নেন চিগুম্বুরা, চাকাবা ও মুর।

জিম্বাবুয়ে মিবিরে এদিন সবার আগে আগাত হানেন সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ের দুৃই ওপেনারকে ফেরান সাকিব আল হাসান। ৩৩.৪ ওভারে জিম্বাবুয়ের রান ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৬। তখন স্বাগতিকদের জয় ছিল অনিশ্চিত। তবে সেই অনিশ্চিত যাত্রাটা সহজ করে দিয়েছেন জোবায়ের-রুবেলরা। মাত্র বারো রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় হারায় সফরকারীরা। ৪৭ তম ওভারে চাকাভা যখন রুবেল হোসেনের বলে আউট হয়ে ফিরেন তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের জয়। তখন ২১ বলে ৪৬ রানটা জিম্বাবুয়ান টেল এন্ডারদের জন্য দূরুহ এক লক্ষ্য ছিল বলতে হবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রানেই থেমে যায় জিম্বাবুইয়ানদের ইনিংস।

 

জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করে ব্র্যান্ডন টেইলর। সাত বাউন্ডারিতে  সাজানো ছিল তার ইনিংস। এছাড়া সলোমান মিরে ৫২ ও চাকাভা ২৬ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ২ উইকেট করে নেন সাকিব আল হাসান, রুবেল হোসেন ও জুবায়ের হোসেন। এছাড়া মাশরাফি এক উইকেট শিকার করেন।



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই