মেইন ম্যেনু

জবিতে শিশু অধিকার বিষয়ে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে(জবি)‘জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ ও বাংলাদেশে এর বাস্তবতা’ শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা বাশার এর সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছয় জন শিক্ষার্থী তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছয় জন শিক্ষার্থী রশিদ আল রুহানী, আমিনুর রহমান, রিয়াজুল ইসলাম, উম্মুল খায়ের, শারমিন জাহান ও পাপড়ি দেবনাথ দীর্ঘ ছয় মাসে সম্পন্ন মাঠকর্ম ভিত্তিক এই গবেষণা প্রবন্ধগুলো উপস্থাপন করেন।

তাদের গবেষণা প্রবন্ধগুলোর মূল আলোচনার বিষয় ছিল, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ কতটা প্রাসঙ্গিক। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদটির ৫৪ টি অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করে গবেষকগণ বাংলাদেশে এর বাস্তবতা বিশ্লেষণ করেন।

গবেষক আমিনুর রহমান তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ শিশু অধিকার বিষয়ে একটি সার্বজনীন মডেল উপস্থাপন করে। যা বাংলাদেশের সামাজিক শ্রেণী, লিঙ্গ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা বুঝতে অপর্যাপ্ত।

একইভাবে অন্য গবেষক রশিদ আল রুহানী তার গবেষণায় জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশুদেও যেসকল অধিকারের কথা বলা হয়েছে তা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদাহরণ সমেত কতটুকু বাস্তবিক তা বিশ্লেষণ করেছেন।

2

অন্যদিকে অন্য গবেষকগণও তাদের গবেষণায় জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের সাথে বাংলাদেশের বাস্তবতা অনুযায়ী শিশুশ্রম, লিঙ্গীয় ভিন্নতা অনুযায়ী অধিকার, সমাজ-সংস্কৃতি ভেদে শিশুর আচরনগত দিক ছাড়াও বেশ কিছু বিষয় বিশ্লেষণ করেছেন।

গবেষণা প্রবন্ধগুলো উপস্থাপন শেষে তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক ফাতেমা বাশার বলেন, এই গবেষণাগুলো অত্যন্ত সময়োপযোগী। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে যে সাধারনীকরণ তা এই গবেষণাগুলোর মধ্যে দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

গবেষণা প্রবন্ধগুলো উপস্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন, গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা বাশারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।






মন্তব্য চালু নেই