মেইন ম্যেনু

জনসম্মুখে কিম!

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় পর জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ফলে তিনি ক্ষমতাচ্যূত বা গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল।

মঙ্গলবার পিটয়ংইয়ংয়ের সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, প্রেসিডেন্ট কিম দেশের বিজ্ঞানীদের জন্য নির্মিত একটি আবাসিক স্থাপণা পরিদর্শণ করেছেন। তিনি ‘উইসং সায়েন্টিস্ট রেসিডেন্টসিয়াল ডিস্ট্রিক্ট’ এবং ‘স্টেট একাডেমি অব সাইন্স’য়ের একটি নতুন স্থাপণা ঘুরে দেখেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং একটি নকশা পর্যবেক্ষণ করেন। তবে তিনি কবে নাগাদ এই সফর করেছেন সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি সংবাদ সংস্থাটি।n1rt9k0v জনসম্মুখে কিম! জনসম্মুখে কিম! n1rt9k0vএদিকে উত্তর কোরিয়ার ‘রডং সিনমুন’ দৈনিক পত্রিকাতেও কিমের ওই সফরের বেশ কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, কালো কোট পরা কিম একটি লাঠি হাতে স্থাপণা দুটি পরিদর্শণ করছেন। ছবিগুলোতে তাকে বেশ চনমনে দেখা যায়।

এর আগে গত রোববার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লন্ডন থেকে বিবিসিকে জানান, তাদের নেতা সুস্থ আছেন।

৩২ বছরের কিমকে গত ৪০ দিন ধরে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ দিন মিডিয়ায় অনুপস্থিত থাকার কারণে তাকে নিয়ে নানা রটনা শুরু হয়েছিল। ধারণা করা হয়েছিল,ক্ষমতাচ্যূত কিম গৃহবন্দী হয়ে আছেন বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।Kim-Jong-un-3 জনসম্মুখে কিম! জনসম্মুখে কিম! Kim Jong un 3তবে উত্তর কোরীয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত একটি গণমাধ্যম গত মাসে জানিয়েছিল, তাদের সর্বোচ্চ নেতা হালকা অসুস্থ, তবে এতে ঘাবরানোর কিছু নেই।

গত জুলাই মাসে কিম জং উন তার পিতামহের ২০ তম মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠান পালন করেন। এরপর থেকেই মূলত তিনি জনসম্মুখে কম আসতে শুরু করেন। এমনকি দেশের প্রধান দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান গত ১০ অক্টোবরের দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং গত ৯ সেপ্টেম্বরের উত্তর কোরিয়ার স্বাধীনতা দিবসেও তাকে দেখা যায়নি।

উত্তর কোরিয়ার এই নেতা যে এবারই দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন, তা কিন্তু নয়। এর আগে ১৯৯০ সালেও কিছু সময়ের জন্য উধাও হয়েছিলেন কিম ইল । সেই সময়টাতে উত্তর কোরীয়ার ক্ষমতার ভারসাম্য ঠিক করতে তিনি ব্যস্ত ছিলেন বলে পরবর্তী সময়ে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুর পর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতায় আসেন কিম জং উন। ২০১২ সালে তিনি দেশের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হন।






মন্তব্য চালু নেই