মেইন ম্যেনু

রুখবে আমায় কে? অদম্য ওরা ৭ জন

চোখের আলো নেই, মনের আলোই জিপিএ ৫

রাজশাহী: ইচ্ছা থাকলে উপাই হয় কথা সত্য। সৃষ্টিকর্তা তাদের দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিয়েছেন। তবুও থেকে থাকেনি তাদের প্রতিভা। রুখতে পারে নি তাদের না দেখা। তেমনি সাতজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সিয়াম, মনসুর, জামিল, ওয়াহেদ ও জান্নাতুল মাওয়ারা। রাজশাহী বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে সবাই।

এদের মধ্যে একমাত্র এবিআই রাফি সিয়াম জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে বগুড়া জেলা স্কুল থেকে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এই পরীক্ষার্থীর শ্রুতি লেখক ছিল বগুড়ার দারুল ইসলাম নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আলিম উল ফাহাদ সিহাব।

এদের মধ্যে অন্য ছয় প্রতিবন্ধীর মধ্যে মনসুর আলী পাবনার ভারারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে জিপিএ-৪.৮৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। পরীক্ষায় তার শ্রুতি লেখক ছিল পার্শ্ববর্তী চর আশুতোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ওমর সাজু।

পাবনার ভারারা উচ্চ বিদ্যালয়ের আরও তিন শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম, জামিল হোসেন ও মাহবুব আলম। এদের মধ্যে রবিউল ও জামিল পেয়েছে জিপিএ-৪.৬৭। আর মাহবুব উত্তীর্ণ হয়েছে জিপিএ-৪.০০ পেয়ে।

রবিউল ইসলাম, জামিল হোসেন ও মাহবুব আলমের শ্রুতি লেখক ছিল পার্শ্ববর্তী চর বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র সাগর হোসেন, মাহমুদপুর জায়েদ আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র সুমন হোসেন ও চর বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র এনামুল কবির।

এছাড়া সিরাজগঞ্জের এসবি রেলওয়ে কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল ওয়াহেদ জিপিএ-৪.৬১ এবং বগুড়া সেন্ট্রাল হাইস্কুলের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া জিপিএ-৩.৩৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। এরা সবাই শ্রুতি লেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এদিকে, প্রতিবন্ধী এসব পরীক্ষার্থীর কৃতিত্বের জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজশাহী বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক সামসুল কালাম আজাদ। একই সঙ্গে তাদের উন্নত ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই