মেইন ম্যেনু

চুয়াডাঙ্গায় প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নিশাত রঞ্জন পাল, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব ও হিসাব রক্ষক এসএম আয়ুব হোসেনের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কয়েকজন ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেড়কোটি টাকার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নামে লুটপাট ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এসব বিষয়ে খোদ ওই প্রতিষ্ঠানের উচ্চমান সহকারী (প্রধান সহকারী) এলাহী বকশ প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। যার অনুলিপি দেয়া হয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, দুদক চেয়ারম্যান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুলনা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী যশোর, সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা) অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা অধিদপ্তর, উপপরিচালক পূর্ত অডিট অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবকে।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাসভবন ও সার্কিট হাউজ, জেলা জজের কার্যালয় ও বাসভবন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বাসভবন ও পুলিশ লাইন, জেলা কারাগার, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বাসভবন ও নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা কোর্ট ও আবহাওয়া অফিসের মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণের নামে এক কোটি ২৫ লাখ টাকার ওপরে কাজ বরাদ্দ করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা পুরোপুরি জানেন না। আংশিক কাজ করে বা আদৌ কাজ না করেই এসব টাকা ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে গণপূর্তের কর্মকর্তারা তুলে ভাগাভাগি করেছেন।
একই সঙ্গে গণপূর্ত বিভাগের নামে ২৪ লাখ ১৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৩টি প্রকল্প নেয়া হলেও বেশিরভাগ কাজই না করে টাকা ভাগাভাগি করা হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের জন্য দেড়লাখ টাকা কাজ না করে আত্মসাতের ঘটনা জানাজানি হলে বুধবার থেকে তড়িঘড়ি করে কাজ শুরু করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা গণপূর্ত বিভাগ দেড়কোটি টাকা খরচে ১৪২টি প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি করলেও সূত্রমতে ৮৫ লাখ টাকার কাজের টেন্ডার করেছে এবং বাকি ৬৫ লাখ টাকার টেন্ডার কাগজ কলমে দেখিয়ে টাকা আত্মসাত করেছে।
এছাড়া যেসব কাজের টেন্ডার হয়েছে, তার সিংহভাগই কোনো কাজ হয়নি। সংশ্লিষ্ট একাধিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে কাজ ছাড়ায় বিল উত্তোলনের জন্য উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ঠিকাদারদের সঙ্গে নিয়ে প্রত্যায়নপত্র দিতে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে নির্বাহী প্রকৌশলী নিশীথ রঞ্জন পাল জানান, প্রধান সহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেইমানি করেছেন। তাছাড়া কাজ হয়নি বলে যে ঢালাও অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়।






মন্তব্য চালু নেই