মেইন ম্যেনু

গুড় মিষ্টি ! নাকি ভেজাল !!

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশনকৈলের হাট খোলা বাজারে বড় বড় খোলা হাড়িতে দানা গুড় বিক্রি করতে দেখা গেছে। গুড় চিনির চেয়ে কম মিষ্টি তাই অনেকের কাছে অনেক বেশি প্রিয়। কিন্তু খোলা হাড়িতে প্রচুর মাছির আনাগোনা দেখা গেছে। গুড় বিক্রেতার হাড়িগুলোতে খালি হাত ঢুকিয়ে গুড় বিক্রি করতে দেখা যায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গুড় বিক্রি চলছে অনায়াসে। বিভিন্ন ধরনের অসুখ সৃষ্টি হতে পারে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দানাদার গুড় খেলে আশঙ্কা করলেন কিছু ক্রেতা।

গুড় আমাদের অনেকের কাছে প্রিয় ও সু-সাদু। আর এই গুড়ের ব্যবহার সবারেই জানা। প্রচলিত নিয়মে গ্রামের বধুরা বিভিন্ন ধরনের পিঠা পুলি, পায়েস তৈরি করে থাকেন গুড় দিয়ে। আবার অনেকেই গুড় দিয়ে চা তৈরি করেন।

আখের রস চুলাতে জ্বালিয়ে তৈরি করা হয় গুড়। নাটোর, রাজশাহীতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে গুড় তৈরি করার এমন চুলার সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে তুলনা মূলক কম।

জানা গেছে রাজশাহী হতে গুড় আসে রানীশংকৈল সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন হাট বাজার ও দোকানে। ঝোলা গুড়, ভেলিগুড়, চিটে গুড়, নালেন গুড়, পাটালী গুড়, প্রভৃতি। গুড়ের পায়েস খেতে যেমন সু-সাদু তেমনি বাঙ্গালি সমাজে অন্ন প্রাশনেও জন্ম দিনে এই গুড়ের কদও একটু ভিন্ন মাত্রায় দেখা যায়। গ্রামের অনেক জায়গায় এখনও দই-চিড়াও, গুড়ের নাস্তার স্বাদ যেন রুচিতে মন মাতিয়ে তোলে। মানুষ এমন গুড়ের গুনগত মান সম্পর্কে কতটুকু সজাগ, প্রাশাসনের এমন দৃষ্টি কামনা করছে সাধারণ মানুষ।






মন্তব্য চালু নেই