মেইন ম্যেনু

গাড়ির ৭৫% রাজস্ব চায় ডিসিসি

ঢাকা মেট্রো নম্বর প্লেটধারী যানবাহনগুলো থেকে আদায়কৃত রাজস্বের ৭৫ শতাংশ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসির) তহবিলে হস্তান্তরের প্রস্তাব রেখে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অন্য কোনো জেলার নম্বর প্লেটধারী যানবাহন চলাচল করলেই ১ হাজার টাকার ট্যাক্স টোকেন গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নগর ভবনে বাজেট বক্তৃতায় ডিএসসিসির প্রশাসক মো. ইব্রাহিম হোসেন খান এসব তথ্য জানান।

বাজেট বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, ‘নগরবাসীর সহজ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত কল্পে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিজস্ব অর্থ ব্যয়ের আওতাধীন সব ছোট-বড় রাস্তা নির্মাণ, সংস্কার ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে। কিন্তু এ সব রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনসমূহ এ জন্য সিটি করপোরেশনকে কোনরূপ ট্যাক্স প্রদান করে না। এখাতে যাবতীয় ট্যাক্স বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) আদায় করে থাকে। অথচ রাস্তা নির্মাণ, সংস্কার এবং রক্ষণা-বেক্ষণকারী হিসেবে সিটি করপোরেশন অত্যন্ত ন্যয় সঙ্গতভাবেই ট্যাক্স পেতে পারে।
এজন্য আগামী অর্থ বছরে বিআরটিএর কাছে ঢাকা মেট্রো নম্বর প্লেটধারী যানবাহনসমূহ হতে আদায়কৃত রাজস্বের ৭৫ ভাগ ঢাকা ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির তহবিলে হস্তান্তর করার যৌক্তিক প্রস্তাবনা করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘একই সঙ্গে রাজধানীতে বিভিন্ন জেলার নম্বরের বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। এগুলো এতোদিন করের আওতায় ছিল না। যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি বাবদ কোনো ট্যাক্স আদায় করা হতো না। নতুন অর্থ বছরে অন্য জেলার নম্বরধারী প্লেটের ওপর কর আরোপ করা হলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে। বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

ডিএসসিসির প্রস্তাবিত বাজেটে ১৯৮৬ সালের অক্ট্রোয় প্রথা পুনরায় চালু করারও প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ঢাকায় গাড়ি প্রবেশ করলেই রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি বাবদ এ ট্যাক্স আদায় করা হবে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিরি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনছার আলী খান, প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন জাভেদ ইকবাল, সজিব রেজাউল করিম, প্রধান হিসাবরক্ষক শেখ ওমর ফারুক প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই