মেইন ম্যেনু

খোঁজ মিলল জয়ললিতার ‘গোপন ছেলে’ এবং ‘গুপ্ত প্রেমিক’র

জয়ললিতার মৃত্যুর পরে পেরিয়ে গিয়েছে তিন মাসের বেশি সময়। কিন্তু ভারতের তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। কিছু দিন আগে জে কৃষ্ণমূর্তি নামে এক ব্যক্তি দাবি করেন, জয়ললিতা ছিলেন তাঁর মা। তাঁর দাবি ছিল, প্রয়াত তেলুগু অভিনেতা শোভন বাবু এবং জয়ললিতার সন্তান তিনি। এমনকী, আইনি পদ্ধতিতে জয়ললিতা নাকি তাঁকে ‘গোপনে’ দত্তকও নিয়েছিলেন। নিজের দাবির সপক্ষে তিনি পেশ করেছিলেন কাগজপত্রও। জয়ললিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার চেয়ে তিনি কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সেই আবেদনের শুনানির শেষে ‘জয়া আম্মা’র সম্পত্তি তাঁর কপালে তো জুটলই না, বর‌ং উল্টে এখন তাঁকে জেলের ঘানি টানতে হতে পারে।

মাদ্রাজ হাইকোর্ট কৃষ্ণমূর্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রায় দিয়েছে, তাঁর সমস্ত দাবিই ভিত্তিহীন। এমন কী দত্তক নেওয়ার আইনি কাগজপত্র হিসেবে যে সমস্ত নথি তিনি আদালতে পেশ করেন, সেগুলো সমস্তই জাল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।

বিচারপতি জানান, কৃষ্ণমূর্তির পেশ করা নথিপত্রগুলো যে জাল, তা একটা নার্সারির বাচ্চাও ধরে ফেলবে। প্রতারণা এবং নথি জালের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করার নির্দেশ পুলিশকে দিয়েছে আদালত।

অন্যদিকে, গত বুধবারই জয়ললিতার এক ‘গোপন প্রেমিকে’রও সন্ধান মিলেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু ট্যুইট করে জানিয়েছেন, অল্প বয়সে তিনি পাগলের মতো ভালবেসে ফেলেছিলেন জয়ললিতাকে। কাটজু লিখেছেন, ‘জয়ললিতার প্রতি আমার দুর্বলতা ছিল। আমার চোখে ওর সৌন্দর্য ছিল অতুলনীয়। অবশ্য এই প্রেম ছিল একতরফা। আর জয়ললিতা জানতও না আমার ভালবাসার কথা। ’

সেই ট্যুইটে কাটজু আরো জানিয়েছেন, তাঁর জন্ম ১৯৪৬ সালে, আর জয়ললিতা জন্মেছিলেন ১৯৪৮ সালে। কিন্তু ২০০৪ সালের আগে জয়ললিতার মুখোমুখি হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কাটজুর। ২০০৪-এ চেন্নাই-এর রাজভবনে কাটজু যখন মাদ্রাজ হাইকোর্টের চিফ জাস্টিস হিসেবে শপথ নিতে যান, তখন সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়ললিতাও। এ ব্যাপারে তিনি লিখেন, ‘তখনও ওর রূপ ছিল অতুলনীয়। অবশ্য, বলা বাহুল্য, ওর প্রতি আমার যুবক বয়সের অনুভূতির কথা তখন ওকে বলিনি। কারণ, সে সব কথা তখন বলা অত্যন্ত অসঙ্গত হতো’।






মন্তব্য চালু নেই