মেইন ম্যেনু

খালেদার সঙ্গে গণতন্ত্রের সংলাপ নয় : ইনু

বেগম খালেদা জিয়া জঙ্গিবাদের সমর্থন করেন, সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেন এমন মন্তব্য করে জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ সমর্থন করার ফলে তিনি গণতন্ত্রের ক্লাব থেকে বিদায় নিয়েছেন। তাই তার সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো সংলাপ হতে পারে না।’

শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলার জাসদের সুধী সমাবেশে ও প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হলেও জঙ্গিবাদের সমর্থক। তিনি গণতন্ত্রের কেউ নন। তিনি যুদ্ধাপরাধী জঙ্গিবাদ, নাশকতার ও অন্তর্ঘাতের সমর্থক।

তিনি বলেন, ইদানিং একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার মধ্যে সংলাপের কথা বলেছেন, মিটমাট ও নির্বাচনের কথা বলছেন। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে তা নিয়ে কখনো মিটমাট হয় না। মুক্তিযুদ্ধ বনাম এর বিরোধীরা, গণতন্ত্র বনাম সামরিকতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ বনাম জঙ্গিবাদ, ৭৫-এর ১৫ই আগষ্ট বনাম খুনীরা, স্বাধীনতা বনাম গণতন্ত্র, জঙ্গিবাদ বনাম নির্বাচন উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ে কোনো মিটমাট হয়না। অতীতে যারা মিটমাটের কথা বলেছেন তারা পাকিস্তানের পক্ষে উকালতি করেছেন। অতীতে যারা মিটমাট ও ফয়সালা করেছিলো তারা পাকিস্তানের ও সামরিক শাসনের পক্ষ নিয়েছিলো। সুতরাং এসব বুদ্ধিজীবীরা জঙ্গিবাদী, যুদ্ধাপরাধী, সাম্প্রদায়িকতাবাদীর সঙ্গে মিটমাটের প্রস্তাব দেয়, তারা গণতন্ত্রের নামে জঙ্গিবাদী ও যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওরা রাজনৈতিক শয়তানি ছাড়েনি, ক্ষমা চায়নি, তওবা করেনি, ভুল স্বীকার করেনি। সুতরাং এই জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার পক্ষের রাজনৈতিক শয়তানদের সঙ্গে কোনো মিটমাট হতে পারে না। ওদের দমন করতে হয়, সময় বুঝে সাপের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হয়। যেমন করে পাকিস্তানীদের বিষদাঁত ১৬ই ডিসেম্বরে ভেঙে দেয়া হয়েছিলো।

জাসদ ময়মনসিংহ ঝেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াসউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি শিরিন আক্তার এমপি, কর্ণেল তাহের পত্নী লুৎফা তাহের এমপি, জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত রায়হান, নারী জোটের সভাপতি আফরোজা হক রিনা ও জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাদিক হোসেন।

টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড শাখা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৫০০ প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।






মন্তব্য চালু নেই