মেইন ম্যেনু

খালেদাকে ‘অবশ্যই’ আদালতে হাজির করার নির্দেশ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ২৬ অক্টোবর অবশ্যই হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ (অস্থায়ী) আদালতের বিচারক বাসুদেব রায় এ আদেশ দেন।
এদিন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দু’টি মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদের অসমাপ্ত সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন তিনি।
সোমবার ৪টি আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির জন্য দুই মামলায় দু’টি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রাখার জন্য আরও দুটি আবেদন করা হয়।
এর আগের ধার্য তারিখ ২২ সেপ্টেম্বরে এই আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আপিলের জন্য একটি আবেদন দাখিল করা হয়েছিল ।
সবকটি আবেদনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন খালেদার পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি শেষে ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ সোমবার আদালতে উপস্থিত না হতে পারায় খালেদা জিয়ার দাখিল করা দু’টি আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
তবে মামলা দু’টির বিষয়ে আপিল বিভাগে আপিল বিচারাধীন উল্লেখ করে সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবির আবেদন নামঞ্জুর করেন বিচারক।
এছাড়া, বিচারক তার আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আপিলের আবেদনটি মঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি করেন।
ওইদিন অবশ্যই খালেদা জিয়াকে হাজির করার ব্যবস্থা নিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের নির্দেশ দেন বিচারক।
এর আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার প্রথম সাক্ষী বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এরপর সোমবার ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করেছিলেন বিচারক।
ওইদিন মামলা দু’টির প্রধান আসামি খালেদা জিয়ার করা দু’টি মামলারই সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোসহ ৬টি আবেদন নামঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছিলেন আদালত।
এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এই মামলাটি করে দুদক। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।
আসামি তারেক রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু হতেই পলাতক।






মন্তব্য চালু নেই