মেইন ম্যেনু

ক্ষুদ্রতম দেশ সিল্যান্ড, জনসংখ্যা ৫০

সবচেয়ে ছোট রাষ্ট্র বলতে সবাই হুট করে ভ্যাটিকেন সিটির নাম বলেন। কিন্তু এর চেয়েও ছোট দেশ আছে। এই দেশের বাসিন্দা মাত্র ৫০ জন (২০১৩ সালের পরিসংখ্যান)। দেশটির নিজস্ব পতাকা, পাসপোর্ট, মুদ্রা সবই আছে। আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক ০২৫ বর্গকিলোমিটার।

১

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম এই দেশের নাম প্রিন্সিপ্যালিটি অব সিল্যান্ড। অবস্থান উত্তর মহাসাগরে ব্রিটেনের জলসীমায় সাফোক (Suffolk) উপকূলে। দেশের রাজধানীও আছে। রাজধানীর নাম এইচএম ফোর্ট রাফস। মুদ্রার নাম সিল্যান্ড ডলার। রাষ্ট্রীয় ওয়েব ঠিকানা SealandGov.org।

বাসিন্দা ও পাসপোর্ট ক্ষুদ্রতম দেশ সিল্যান্ড, জনসংখ্যা ৫০

দেশটি আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সমুদ্র বন্দর। জার্মান সেনারা যেকোনও সময় ইংল্যান্ড আক্রমণ করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই ব্রিটিশ সেনা ইংল্যান্ড উপকূলে দূর্গ বানানোর পরিকল্পনা করে। এরই একটি পরিত্যক্ত বন্দর হচ্ছে সিল্যান্ড।

পৃথিবীর কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র এখনও সিল্যান্ডকে স্বীকৃতি না দিলেও বিরোধিতাও করেনি। তবে বেইটসের দাবি, এটা যেহেতু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বন্দর সেহেতু ব্রিটেন ও জার্মানি কার্যত স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৬৭ সালে সামরিক বন্দরটি দখল করেন প্যাডি রয় বেইটস এবং এ স্থানকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন।

মূলত স্থানটি সালে জলদস্যুদের বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বেইটস তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেন। তার উদ্দেশ্য ছিল সেখানে নিজস্ব স্টেশন স্থাপন করা।

১৯৭৫ সালে তিনি সিল্যান্ডকে একটি জাতিরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন। তখন তিনি একটি শাসনতন্ত্র এবং একটি রাষ্ট্রের অন্যসব প্রতীকও প্রণয়ন করেন।

সিল্যান্ড রাজ পরিবার ক্ষুদ্রতম দেশ সিল্যান্ড, জনসংখ্যা ৫০

বয়োবৃদ্ধকালে বেইটস মূল ভূখণ্ড এসেক্সে ফিরে যান এবং ছেলে মাইকেলকে নিজের স্থলাভিষিক্ত করেন। তিনি মারা যান ২০১২ সালের অক্টোবরে ৯১ বছর বয়সে।

এর পর থেকে বেইটসের প্রতিনিধি তার ছেলে ওই দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।






মন্তব্য চালু নেই