মেইন ম্যেনু

কৃষকের সন্তান থেকে বিতর্কিত ধর্মগুরু

কৃষক পরিবারের সন্তান রামপালের বয়স এখন ৬৩। চড়েন বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজে। বিলাসবহুল গাড়ির একটি বহরই রয়েছে তার। বারওয়ালার আশ্রমেই বসবাস করেন তিনি। ১২ একর জমির ওপর গড়ে তুলেছেন আস্তানা। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

রামপাল আশ্রমের চারপাশে ৩০ ফুট উঁচু দেয়াল তুলেছেন। ভেতরে কী ঘটে বাইরে থেকে তা বোঝার উপায় নেই।

রামপাল তার অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য গড়ে তুলেছেন এক কমান্ডো বাহিনী। তার নাম ‘বাবা বাহিনী’। রামপালের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে এই ‘বাবা বাহিনী’র ব্যাপক সংঘর্ষও ঘটে।

স্বঘোষিত ধর্মগুরু রামপালের তো বটেই, গুরুত্বপূর্ণ অনুসারীদের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। রয়েছে একটি লেকচার হল। রয়েছে এলইডি স্ক্রিন, সামাজিক যোগোযোগের ফেসবুক ও ইউটিউব পেইজ। তার ধর্মোপদেশও খুঁজে পাওয়া যায় সেখানে। গত ১ দিনে তার ফেসবুকে ২ হাজার নতুন লাইক পড়েছে।

বলা হয়ে থাকে হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও দিল্লিতে রামপালের ২৫ লাখ অনুসারী রয়েছে।

২০০৬ সালে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। পরে তিনি জামিন পান। ওই সময় তার আস্তানা ছিল হরিয়ানার রোহটাক এলাকায়। পরে তিনি বারওয়ালায় তার ডেরা স্থাপন করেন। বারওয়ালায় তার আরেকটি আশ্রম নির্মাণাধীন। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং দিল্লিতেও তার নিজস্ব সম্পত্তি রয়েছে।

দিল্লির কাছেই হরিয়ানায় সোনেপাত এলাকায় এক কৃষক পরিবারে জন্ম নেন রামপাল দাস। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেয়ার পর তিনি যোগ দেন সেচ বিভাগে। ৪৮ বছর পর্যন্ত তিনি একজন জুনিয়র প্রকৌশলীই ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই