মেইন ম্যেনু

কিশোরগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ॥ আটক-১

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি॥ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গত ২৮ডিসেম্বর রাতে ও ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে জেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব। মামলার কিছুক্ষণ পরে জেলা পরিষদের পরাজিত সদস্য প্রার্থী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুকে আটক করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ।
সরেজমিনে ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৮ডিসেম্বরে জেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব’র আপন ফুফাত ভাই আবুল হাসনাত চৌধুরী বিয়েছ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণে মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সংরক্ষিত সদস্য রোকসানা খাতুন ও তার স্বামীকে মাগুড়া বাজারে বেধড়ক মারপিট করে ইউপি চেয়ারম্যানের চাচাত ভাই জুয়েল হোসেন। পরবর্তী সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের স্বামী জুয়েল তার আপন খালাত ভাই জেলা পরিষদের পরাজিত প্রার্থী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুকে অবহিত করলে ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যানকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গালিগালাজ করে। এ ঘটনার পর মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান কিশোরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে কিছুক্ষনের মধ্যে গ্রেনেট বাবুকে আটক করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেনেট বাবুকে আটকের পর কিশোরগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও সকল দলের নেতা কর্মীরা তার মুক্তির জন্য থানা ঘেরাও করে রাখে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে থানার মুল গেট বন্ধ করে দিলে কিশোরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোঃ আবুল কালাম বারী পাইলট গ্রেনেট বাবুকে ছেড়ে দেয়ার জন্য থানা পুলিশকে বললে সদর ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুল ইসলাম আনিছ চড়াও হয়ে পাইলটকে থানা ত্যাগের জন্য বলে। তারপর ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সদর ইউপি চেয়ারম্যানের উপর পাল্টা ভাবে চড়াও হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বলেন গ্রেনেট বাবুকে রাতের মধ্যে ছেড়ে না দিলে দলমত নির্বিশেষে সকল ইউনিয়ন ও উপজেলায় কঠোর কর্মসূচী পালন করা হবে। যুবলীগের সভাপতি ফণি ভুষন মজুমদার বলেন কিশোরগঞ্জের মানুষের দাবী গ্রেনেট বাবুকে ছেড়ে না দিলে কিশোরগঞ্জে মানুষ তার জন্য আন্দোলন করবে। কিশোরগঞ্জ সদর ইউপি সদস্য নূরে আলম সিদ্দিকী জাদু মিয়া বলেন,গ্রেনেট বাবুকে আটকের আগে মাগুড়া চেয়ারম্যান শিহাবকে আটক করতে হবে। আর যদি তাকে ছেড়ে দেয়া না হয় তাহলে কিশোরগঞ্জের সাধারণ মানুষ তাকে মুক্ত করতে প্রয়োজনে রক্ত দিবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যায় সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলামসহ বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য থানায় আলোচনায় বসেছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশীদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় দলীয় নেতা কর্মীরা সমাধানের চেষ্টা করছে।






মন্তব্য চালু নেই