মেইন ম্যেনু

কারাগারে যেমন কাটছে কামারুজ্জামানের দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন। আর ওই সেলের সামনে গোয়েন্দা হিসেবে পাহাড়া দিচ্ছেন একজন সহকারী জল্লাদ। পত্র-পত্রিকা পড়া, নামাজ-কালাম আর খাওয়া-দাওয়ার মধ্য দিয়েই কামারুজ্জামানের দিন কাটছে। তিনি অনেক বেশি চিন্তিত না থেকে স্বাভাবিকভাবে দিনাতিপাত করছেন।

রোববার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

ফরমান আলী জানান, কামারুজ্জামান সম্পূর্ণভাবে সুস্থ আছেন। প্রতিদিন তাকে বেশ কয়েকটি পত্রিকা দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত খাবার খাচ্ছেন। তার শরীরের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। কারারক্ষীদের সঙ্গেও কথা বলে সময় পার করছেন তিনি। ফাঁসি কার্যকরের আগে তার শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হবে। সেই ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরো জানান, ফাঁসি কার্যকর করতে জেল কর্তৃপক্ষের সব আয়োজন শেষ। সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। এখন সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। সিগনাল পেলেই তারা রায় কার্যকর করবেন।

এদিকে কামারুজ্জামানকে পাহাড়া দিয়েছেন এমন একজন কারারক্ষী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কামারুজ্জামান বলেছেন, তিনি তার জীবন আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনা অথবা অন্য কোনো উপায়ে তার মৃত্যু হতে পারত। কিন্তু ওই সব মৃত্যুতে তেমন কোনো সম্মান নেই। সরকার ফাঁসি দিয়ে মারলেও সম্মান আছে। ইতিহাস হয়ে থাকবেন কামারুজ্জামান। বর্তমানে কামারুজ্জামানের সেলের সামনে গোয়েন্দা হিসেবে সবসময় পাহাড়া দিচ্ছেন সহকারী জল্লাদ কালু শেখ।

অন্যদিকে আইনমন্ত্রীর দেওয়া রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সাত দিনের সময় রোববার শেষ হচ্ছে। তার কথা অনুযায়ী রোববারের পর যে কোনো সময় রায় কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগের বহাল রাখা রায়ের স্বাক্ষর করা কোনো শর্টকপিও বের হয়নি।

আদালত সূত্র বলছে, যে কোনো দিন যে কোনো সময় রায়ের লিখিত শর্টকপি বের হবে। এই কপি ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার পর মৃত্যু পরোয়ানা জারি হবে এবং তা কারাগারে পৌঁছানো হবে।






মন্তব্য চালু নেই