মেইন ম্যেনু

কারাগারে নেয়া হয়েছে লতিফ সিদ্দিকীকে

কাঠগড়ায় নিশ্চুপ ছিলেন লতিফ

আদালতে আসামির কাঠগড়ায় নিশ্চুপ ছিলেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। মুখে ছিল শুধু মুচকি হাসি।
তিনি নিজের পক্ষে কোনো আইনজীবীও নিয়োগ করেননি। এমনকি নিজেও তিনি আদালতে জামিন প্রার্থনা করেননি।
তাই জামিন প্রার্থনা না করায় আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান। তবে লতিফ সিদ্দিকীর বিপক্ষে শুনানি করেন মামলার বাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এএনএম আবেদ রেজা।
আদালত থেকে পুলিশের গাড়িতে তুলার সময়ও লতিফ সিদ্দিকীর মুখে ছিল মুচকি হাসি। শুধু কয়েকবার হাত তুলে নেতাসুলভ আচরণ করেন। প্রায় বাকিটা সময় ছিল বুকের উপর তার দুই হাত। ভাবলেশহীনভাবে তিনি পুলিশের গাড়িতে উঠেন।
মঙ্গলবার দুপুরে সাবেক ও বহিষ্কৃত মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ধানমণ্ডি থানায় আত্মসমপর্ণ করেন। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন বিচারক। এসময় আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা ‘লতিফ সিদ্দিকীর দুই গালে, জুতা মার তালে তালে’ এমন নানা স্লোগানে লতিফ সিদ্দিকীর প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানান। লতিফ সিদ্দিকীকে উদ্দেশ করে এসময় বেশ কিছু আইনজীবীকে জুতা ও থু থু নিক্ষেপ করতেও দেখা যায়।
আইনজীবীরা লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারের নির্জন কক্ষে রাখার পাশাপাশি তার ফাঁসির দাবিও জানান। তারা বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী শুধু ইসলাম ধর্মকেই কটাক্ষ করেননি, তিনি বিশ্বের সব ধর্মকেই কটাক্ষ করেছেন।’
প্রসঙ্গত, নিউইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্ম, হজ, হযরত মোহাম্মাদ সা. কে নিয়ে কটূক্তি করেন লতিফ সিদ্দিকী। এর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন আদালতে কয়েক ডজন মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ২২টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পরোয়ানা মাথায় নিয়েই রোববার রাতে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন তিনি। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো বিক্ষোভ ও হরতালের ডাক দেয়।

কারাগারে নেয়া হয়েছে লতিফ সিদ্দিকীকে:লতিফ

সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৩৫ মিনেটের দিকে কারাগারের মূল গেট দিয়ে ভিতরে নেয়া হয় তাকে।

এর আগে লতিফ সিদ্দিকীকে বহনকারী প্রিজনভ্যানটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানোর পর কারোগারের পকেট গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে জটলা তৈরি হয়।

লতিফ সিদ্দিকী দাবি করেছিলেন, তিনি এখনো একজন সংসদ সদস্য। তাই কারাগারের পকেট গেট দিয়ে ভেতরে যাবেন না তিনি।

এর আগে লতিফ সিদ্দিকী মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১টায় ধানমণ্ডি থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে সিএমএম আদালতে পাঠানো হয়। দুপুর ২টা ৫ মিনিটে তাকে কালো গ্লাসের একটি গাড়িতে করে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

সেখানে জামিন প্রার্থনা না করায় সাবেক এই মন্ত্রীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালত।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই