মেইন ম্যেনু

কলারোয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

কামরুল হাসান, কলারোয়া :: কলারোয়ায় সুষ্ঠুভাবে ১৩ টি কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে,  এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে ১৩৪ টি স্কুলের মোট ৪,১৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪.১৩৭ জন। অনুপস্থিতির সংখ্যা ৩৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র ১৯ ও ছাত্রী ১৫ জন। অপরদিকে ইবতেদায়ীতে ৩২ টি মাদ্রাসার  ৫৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে  পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪৬৯ জন। অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬৫ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৪৩ ও ছাত্রী ২২ জন। উপজেলার কয়লা ইউনিয়নে কোনো মাদ্রাসা না থাকায় এখানে ইবতেদায়ী পরীক্ষা হয়নি। ৬ দিনব্যাপি পরীক্ষা চলাকালীন কলারোয়ার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ কুমার তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদসহ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সচিবগণ। রোববার উপজেলার বামনখালি কেন্দ্র সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এখানে সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ৬ দিনব্যাপি পরীক্ষা যথাযথ পরিবেশে সম্পন্ন করা গেছে। কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি কেন্দ্র সচিব ও হলসুপারসহ দায়িত্বরত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে কলারোয়া কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অবদুল হামিদ সাংবাদিকদের জানান, কলারোয়া কেন্দ্রে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সকল পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

কলারোয়ার পাটুলিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগদখলে বাধা দেওয়ায় থানায় জিডি
জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : পিতার সম্পত্তি ফিরে পেয়ে চাষাবাদ করতে যাওয়ায় চাচা ও চাচাত ভাই মিলে ভাইজিসহ  জামাইকে পিটিয়ে মারধর করে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ শে নভেম্বর শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায় কলারোয়ার পাটুলি গ্রামে। জানা যায়, উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের পাটুলি গ্রামের মৃত-আইউব আলি গাজী মৃত্যুকালে একমাত্র কন্যা সোহানা ইয়াছমিন (মায়া) ও পাটুলি মৌজায় ২ একর ৬৬ শতাংশ জমি রেখে মারা যান। তার (মায়ার) পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পাবার জন্য এবং পিতার সম্পত্তি ভোগদখল ও ব্যবহার করার জন্য গত ১২/০৭/২০১৪ তারিখে দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ দাখিল করেন। দীর্ঘ দুই মাস উভয় পক্ষের অভিযোগ শুনানি শেষে ইউপি চেয়ারম্যান বাদিনী সোহানা ইয়াছমিন(মায়া)এর দাবীর স্বপক্ষে যথারিতি কাগজ পত্র অর্থাৎ সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত হাল রেকর্ডের কাগজপত্রে মায়ার পিতা আইউব আলি গাজীর নামে রেকর্ড সম্পন্ন হয়েছে। বিবাদী পক্ষ আবু ছিদ্দিক গাজী, মুনছুর আলি গাজী, জালাল গাজী কোন বৈধ কাগজ পত্র না দেখিয়ে বক্তব্যে মূল কথাগুলি এড়িয়ে মনগড়া আইনের দোহাই দিয়ে এড়িয়ে যাওয়াই ইউপি চেয়ারম্যান বাদিনীকে বৈধ দাবীকৃত  ২ একর ৬৬ শতাংশ জমি ফিরে পাবার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের স্বরণাপন্ন হতে অর্ডার সিট প্রদান করেন। সোহানা ইয়াছমিন (মায়া) তার পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগদখল ও ব্যবহার করার জন্য সাউথ এশিয়ান ক্রাইম ওয়াচ সোসাইটি (অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থা) সাতক্ষীরা জেলা শাখা কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করলে গত ০১/১১/২০১৪ তারিখে অপরাধ পর্যবেক্ষণ ও মানবাধিকার সংস্থা ও খোরদো পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই ও ৩জন কনস্টেবলের সহযোগিতায় সরেজমিনে তদন্তকালে উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখতে চাইলে বাদিনীপক্ষ তার পৈত্রিক  রেকর্ড ও জমির দাখিলা, ওয়ারেশকায়েম সার্টিফিকেট,আইনজীবী কর্তৃক ফারাজি কাগজপত্রসহ সমুদয় কাগজপত্র দাখিল করে। বিবাদী পক্ষ উক্ত সম্পত্তি সম্পর্কে কোন বৈধ কাগজপত্র দাখিল করেন নি। উক্ত তদন্ত টিম সোহানা ইয়াছমিন (মায়া) কে জমি ভোগদখল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। সোহানা ইয়াছমিন ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন  এ প্রতিনিধিকে জানান, গত ২৮ শে নভেম্বর শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সময় আমার স্বামীকে নিয়ে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি চাষ করতে গেলে আবু ছিদ্দিক গাজী, মুনছুর আলি গাজী,ও তুষার (মুনছুর আলি গাজীর ছেলে) আমার স্বামীর উপরে আক্রমন করে মারধর করে। পাটুলি মাঠে  ধানের জমিতে ধান বাধা কাজ করা লোকজন খোরদো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জকে খবর দিলে  চারজন পুলিশ কনস্টেবল ঘটনাস্থলে আসলে ভূমি দস্যুরা পালিয়ে যায়। মায়ার স্বামী আলমগীর আরও জানান, বিভিন্ন সময়ে বিবাদীগণ আমাদের উপর জীবনাশের হুমকী দিলে আমি গত ২৭ শে নভেম্বর কলারোয়া থানায় জিডি করি।  যার জিডি নং-৯৯৮।

 

কলারোয়ায় সমবায় সমিতির কর্মচারী মোজাফ্ফার হোসেন আর নেই
জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : কলারোয়া উপজেলা সমবায় সমিতির সাবেক এমএলএসএস মোজাফ্ফার হোসেন (৬২) ব্রেণ ষ্টোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন (ইন্না…………………রাজিউন)। রোববার রাত ৩টার দিকে  সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ পুত্র, ২মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার বেলা সাড়ে ৪টায় জানাযা নামাজের পর আলাইপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কলারোয়া উপজেলা সমবায় সমিতির সভাপতি আঃ গফুর, পল্লী উন্নয়ন অফিসার আশরাফ হোসেন,সহকারী পল্লী উন্নয়ন অফিসার রাশেদুল ইসলাম, মোসলেম উদ্দিন, জুুনিয়ার অফিসার আল-আমিন, হিসাবরক্ষক আঃ রশিদ, প্রধান পরিদর্শক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, পরিদর্শক গোলাম কুদ্দুস, কলারোয়া উপজেলার একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়কারী আনারুল ইসলাম,সাংবাদিক জুলফিকার আলী, আরিফুল হক চৌধুরী,ফিরোজ জোয়ার্দ্দার প্রমুখ। অপরদিকে শোক প্রকাশ করেছেন কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আঃ রহিম, সহ-সভাপতি মজনুর রহমান, আঃ ওদুদ, শওকাত আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সহ- সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, মোক্তার আলী, শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম গামা, সড়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মিন্টু, দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন, নির্বাহী সদস্য আজগার আলী, লাল্টু ও আবদার আলী সকল শ্রমিক বৃন্দ।

 
জামালপুরের মজাদার চিংড়ী মাছের শকসি গরম এখন কলারোয়ায়
জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : কলারোয়ায় মজাদার চিংড়ী মাছের শকসি গরম বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে জামালপুর জেলার ১ছেলে। গতকাল রোববার রাতে কলারোয়া বাজারে ভ্যানে করে তার এ চিংড়ী মাছের বড়া বিক্রি করNews-photo-30তে দেখা গেছে। গরম গরম চিংড়ী বড়া খেতে অনেক মজাদার। সে এই প্রথমে কলারোয়ায় এসে বিক্রি শুরু করেছে। প্রতিটি চিংড়ী মাছের বড়ার দাম ৫টাকা। ক্রেতারা লাইন দিয়ে চিংড়ী মাছের গরম গরম বড়া কিনছে। কথা হয় চিংড়ী মাছের শকসি গরম বিক্রেতা জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পল্লবন্ধব এলাকার মোঃ শোকেন আলীর পুত্র শাহিনুর ইসলাম শাহিন এর সাথে। সে জামালপুর থেকে সাতক্ষীরার পিএন হাইস্কুলের পিছনে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবসা হিসাবে সে শিতের ভিতরে বেছে নেয় চিংড়ী মাছের বড়া বিক্রেতে। গত ২সপ্তাহ ধরে কলারোয়া বাজারে এই বড়া বিক্রি করছে সে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বড়া বিক্রি হয় ৩ হাজার টাকারও বেশী। লাভ থাকে প্রায় ১৫শত টাকার মতো। সে এই লাভের টাকা থেকে নিজের সংসার চালানোসহ গ্রামের বাড়ীতে টাকা পাঠিয়ে থাকে। বর্তমানে কলারোয়া বাজারে মজাদার খাবার হিসাবে শকসি গরম (চিংড়ী বড়া) সবার মুখে মুখে। সন্ধ্যা নামলে তা বুঝা যায় ক্রেতা দেখলে। বর্তমানে পৌরবাজারে এই মজাদার চিংড়ী মাছের বড়া বিক্রি হওয়ার কারণে কলারোয়া বাজারের শীতের মুখরুচি ভাজা হিসাবে চপ, পেয়াজী বেগুনি বিক্রি একটু কমে গেছে। এবিষয়ে চিংড়ী মাছের বড়া বিক্রেতা শাহিনুর ইসলাম শাহিন বলেন, চিংড়ী মাছের দাম একটু বেশি তাই বড়াগুলো একটি ছোট আকারে হচ্ছে। আগামীতে চিংড়ী মাছের দাম কমলে বড় আকারে বড়া বিক্রি করবেন। এছাড়া পুরো শীতে সে কলারোয়ার পৌর বাজারে সকলের সহযোগিতা নিয়ে চিংড়ী মাছের বড়া বিক্রি করতে চান।

 

সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি’র পতাকা বৈঠক কলারোয়ায় আটককৃত ৬নারী ও শিশু হস্তান্তর
জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) :  কলারোয়ায়া সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৬জন নারী-শিশুকে বিএসএফ হস্তান্তর করেছে। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার চান্দুড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার শাহ আলম সাংবাদিকদের জানান,গত শনিবার সন্ধ্যায় নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কুলদর গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন (৩৫) ও তার দুই শিশু-আকাশ হোসেন (১২), রিয়াজ শেখ (৫), একই উপজেলার জামডিলডাঙ্গা গ্রামের দেলবার শেখের স্ত্রী আনজু বেগম (৪০), আজাহারুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৩) সাথে তার শিশু পুত্র আল-আমিন (২) কে সাথে নিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ভারতের গোবরা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করে। পরে গতকাল রোববার সকাল ৯টার দিকে বিএসএফ এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যামে আটককৃতদের চান্দুড়িয়া বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করে। এঘটনায় গতকাল কলারোয়া থানায় ১৯৭৩ সালের পাচঁপোর্ট আদেশের ১১(গ) ধারায় একটি (মামলা নং-২১) দায়ের হয়েছে।

 
কলারোয়ায় পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় এক ব্যক্তি আটক
জুলফিকার আলী, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : কলারোয়ায় পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় আটক দেখিয়ে এক ব্যক্তিকে আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ। কলারোয়া থানার এএসআই ইকবাল মাহমুদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলীর পুত্র জুলফিকার আলী (৩২)কে তার বাড়ী থেকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিকে নন এফ আই আর প্রসিকিউশন নং-৪৬/১৪ আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে।






মন্তব্য চালু নেই