মেইন ম্যেনু

উখিয়া, (কক্সবাজার) এর কিছু খবর :

কর্তৃপক্ষের অত্যচারে অতিষ্ট কুতুপালংয়ের শরণার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গারা ক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটির কতিপয় নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী, মানব ও মাদক পাচার, সাধারণ শরণার্থীদের উপর নানা নির্যাতন অত্যচারের অতিষ্ট শরণার্থীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ছে। এতে সাধারণ শরণার্থী ও শিবির পরিচালনা কমিটির লোকজনের মাঝে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির আশংখা দেখা দিয়েছে।

কুতুপালং শরণার্থী শিবির ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নূর বেগম, ব্লক চেয়ারম্যান মোঃ আয়ুবসহ সাধারণ শরণার্থীরা সম্প্রতি উক্ত শিবিরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী সচিবের নিকট লিখিত অভিযোগে জানান, উক্ত শিবিরের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, তার সহযোগি নূরুল ইসলাম, আবুল শামা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল প্রায় বছর খানেক ধরে উক্ত শিবিরে সাধারণ শরণার্থীদের উপর অহেতুক বিচার শালিশ, বিবাহ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চরম ভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছে। প্রতি সপ্তাহে উক্ত সন্ত্রাসীদের সাধারণ শরণার্থীদের ঘর পিছু মোটা অংকের চাঁদা দিয়ে আসতে হচ্ছে। অবলা শরণার্থী দিল বাহার ও দিল বাহারের নিকট তথাকথিত শালিসের নামে ৩৪ ও ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। উক্ত শরণার্থীদের মধ্যে উপায়ান্তর না দেখে দিল বাহার বেগম সম্প্রতি বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

একই ভাবে উক্ত শিবিরের শরণার্থী মোজাফফরের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। চাঁদা আদায়ের ব্যর্থ হলে ফাতেমা খাতুন, আনোয়ারা ও তার স্বামী শাহ আলম এবং বোন আরেফা বেগমকে শরণার্থীদের ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে কৌশলে জেলে পাঠায়। একই ভাবে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ই-ব্লকের শরণার্থী নূর মোহাম্মদ সপরিবারে সম্প্রতি ভারত পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে জানা যায়। উক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাতদলের গডফাদার শিবির ম্যানেজম্যান্ট কমিটির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের লালিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সাধারণ শরণার্থীদের উপর জুলুম নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। ২০০৪ সালে উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীরা সাধারণ শরণার্থীদের জিম্মি করে কথিত দাবী আদায়ের নামে সরকারের সাথে মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে শিবিরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি চরম অবনতি ঘটায়।

উক্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল ২০০৬ সালে তৎকালীন শিবিরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার শাহানুর আলমের স্বার জাল করে রেশন বুক তৈরি করায় উক্ত কর্মকর্তা তাকে আটক করে ৬ মাসের জেল দিয়েছিল। স্থানীয় সাধারণ শরণার্থী ইমাম হোছন, শামশুল আলম, নূরুল ইসলাম, ইলিয়াস, নাছিমা বেগম, হামিদ হোছনসহ অসংখ্য শরণার্থী উক্ত অভিযোগ সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সন্ত্রাসী ছৈয়দ আলম, ইসমাইল, ডাকাত ছৈয়দ সহ ২৫/৩০ জনের স্বশস্ত্র বাহিনী কুতুপালং শরণার্থী শিবিরকে ইয়াবা, মাদক, জুয়া, পতিতাসহ নানা অনৈতিক কাজে আখড়ায় পরিণত করেছে। আমরা শরণার্থী হিসেবে শান্তিপূর্ণ ভাবে শিবিরে অবস্থান করার প্রেেিত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে নিকট আবেদন করার পরও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা। কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী সচিব সরওয়ার আলম উক্ত শরণার্থী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, শিবির ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের ঘর তল্লাশী করে রোববার বিকালে লেপটপসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জব্ধ করা হয়েছে। সে সহ সন্ত্রাসীরা পলাতক থাকায় আটক করা যাচ্ছে না।

 

উখিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আটক, হরতালে প্রভাব পড়েনি
কক্সবাজারের উখিয়ায় বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের হরতাল চলাকালে সড়কে পিকেটিং করার সময় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দালের আহবায়ক আব্দুল মালেক মানিককে আটক করেছে থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২০/২৫ জন কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া হাসপাতাল সড়ক এলাকায় ব্যারিকেড দিতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন। এদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে উখিয়ার সর্বত্র স্বাভাবিক জীবন যাত্রা বিরাজমান ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

 

উখিয়ার শীর্ষ মানবপাচারকারী রেবি ২দিনের রিমান্ডে
কক্সবাজারের উখিয়ার উপকূলীয় এলাকা জালিয়াপালং ইউনিয়নের মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের সী-পোর্ট খ্যাত বাদামতলির ঘাটের রাণীখ্যাত গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হওয়া সেই আলোচিত রেবি ম্যাডামকে ২দিনের রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাবাদ করছে উখিয়া থানা পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাবাদে রেবি ম্যাডাম মানবপাচার সংক্রান্ত ও তার সহযোগিদের ব্যাপারে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। সম্প্রতি ওই রেবি ম্যাডাম কক্সবাজারের আদালত পাড়া থেকে জেলে থাকা মানবপাচারকারী তার স্বামী নুরুল কবিরকে দেখতে গিয়ে কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হয়। উখিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খাঁন জানান, মানবপাচারকারী শীর্ষ রাণী রেবি ম্যাডামকে আদালত থেকে ২দিনের রিমান্ড এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।






মন্তব্য চালু নেই